শিরোনাম
সমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতালায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এবং লিও ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এর জমকালো আয়োজনে চার্জ হস্তান্তর-গ্রহণ ও চার্টার সেলিব্রেশনভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলা, ভিডিও বিশ্লেষণে শনাক্ত কয়েকজনআরও এক কারাবন্দীর মৃত্যু ঢাকা মেডিকেলে, দুই দিনে মারা গেলেন ৪ জনবেকারি কামাল’—একটি নামের ভেতরে তিন যুগের সংগ্রাম, সাফল্য, ব্যর্থতা ও মানুষের গল্প

― Advertisement ―

সমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সীরতুন্নবী (সা.) মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা হাফেজ আহমদ প্রকাশ শাহ্ সাহেব...

অযত্নে পড়ে অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স

Homeআন্তর্জাতিকঅযত্নে পড়ে অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স

ভোলার দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দকৃত অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি গত ৭–৮ বছর ধরে বেতুয়ার খালে অযত্নে পড়ে আছে। বর্তমানে এটি কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে অচল অবস্থায়, ফলে চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষরা জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে সরকারের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ২০১৮ সালে আগের সরকারের সময় চরের মানুষদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলেও তারপর থেকে এটি ব্যবহার হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে থানার পাশে বেতুয়ার খালে ফেলে রাখা হয়েছে। এখন এটি কাদা ও মাটির নিচে চাপা পড়ে ব্যবহারযোগ্য নয়। চরের এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা গরিব, চরে থাকি—তাই চিকিৎসা পাই না। শুনেছি সরকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে, কিন্তু কখনো দেখিনি। অসুস্থ হলে এখানেই মরতে হয়।’ গৃহবধূ জান্নাত জানান, ‘চরে থাকায় কেউ খোঁজ নেয় না। শুনেছি গরিবের জন্য সরকার অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে, কিন্তু কাজে কখনো আসে নি।’ সাবেক ইউপি সদস্য আবু তাহের বলেন, ‘চরে চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা নেই। একবার হাসপাতালে গিয়েছিলাম, নৌ অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলল, “খুঁজে নেন।”’ বেতুয়ার খালের জেলেরা জানান, ‘নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি নতুন আনার পর রোগী আনতে কখনো দেখিনি। এখন এটি খালের মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে।’ দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সটি এক সময় সচল ছিল, তবে পরে ওপি বন্ধ থাকায় ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’