
আত্মসংযম ও আত্মশক্তির মঙ্গলদ্বীপ জ্বেলে প্রতিবছর আমাদের জীবনে সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বাণী বয়ে আনে বর্ষাব্রত অধিষ্ঠান। তিন মাসব্যাপী বর্ষাবাস শেষে চৈতন্য জাগরণের এই সময়ে প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপনের পর শুরু হয় শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব—এক মহতী দান অনুষ্ঠান, যা বৌদ্ধ ধর্মীয় জীবনে সর্বোচ্চ পুণ্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত। এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে এ বছরও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ২৫৬৯ বুদ্ধাব্দের ৩১ অক্টোবর, শুক্রবার ঐতিহ্যবাহী আধুনগর জ্ঞান বিকাশ বিহারে দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দানোৎসব মহাসমারোহে উদযাপিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহামান্য উপ-সংঘরাজ সদ্ধর্ম নিধি ভদন্ত ধর্মদর্শী মহাথের। আশীর্বাদ প্রদান করেন অভিধর্ম বিশারদ ধর্মদূত ভদন্ত শীলজ্যোতি মহাথের। প্রধান জ্ঞাতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভদন্ত ধর্মবীর সদ্ধর্মশোভন ভদন্ত শীলানন্দ মহাথের। বিশেষ সদ্ধর্মদেশক ছিলেন বিশ্বনাগরিক ভদন্ত ড. ধর্মকীর্তি মহাথের, ভদন্ত দীপানন্দ মহাথের, ভদন্ত আনন্দপ্রিয় থের, ভদন্ত সাধনমিএ থের, ভদন্ত প্রজ্ঞামুদিতা থের, ভিক্ষু জ্যোতিপ্রিয় ও ভিক্ষু জ্যোতিরক্ষিত। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অ্যাডভোকেট রাখাল চন্দ্র বড়ুয়া, প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রীমতি মানু বড়ুয়া এবং প্রধান দাতা ছিলেন আধুনগর জ্ঞান বিকাশ বিহার ও বুদ্ধ ধাতুচৈত্য কর্তৃপক্ষ। সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি রুবেল বড়ুয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন তুষার কান্তি বড়ুয়া (সভাপতি, সাতকানিয়া-লোহাগাড়া বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদ), শিক্ষক প্রিয়দর্শী বড়ুয়া এবং আধুনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ জুনাইদ, মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী পারভেজ ও হৃদয় বড়ুয়া প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক বটন কান্তি বড়ুয়া। পঞ্চশীল প্রার্থনা পরিচালনা করেন ডা. পরিমল বড়ুয়া। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্বপন কান্তি বড়ুয়া, উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসু, প্রকৌশলী রিপন বড়ুয়া ও বিকাশ বড়ুয়া। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ঐক্য ফ্রন্টের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম সচিব ব্যাংকার


