
কালুরঘাট সেতুতে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী ট্রেনের সঙ্গে সিএনজি অটোরিকশা ও একটি প্রাইভেটকারের মর্মান্তিক সংঘর্ষে যে নিষ্পাপ শিশুটি প্রাণ হারিয়েছে, সেই হৃদয়বিদারক ঘটনার সংবাদে আমি গভীরভাবে ব্যথিত ও মর্মাহত।
একটি তাজা প্রাণের এমন অকাল ঝরে যাওয়া কোনো ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। বোয়ালখালীর সন্তান হিসেবে, একজন পিতা হিসেবে, একজন মানুষ হিসেবে—আমি নিহত শিশুটির শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি আমার অন্তরের গভীর সহানুভূতি ও সমবেদনা জানাই।
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আমাদের আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়—সড়ক ও রেলসেতু পারাপারে নিয়ম না মানা কতটা ভয়াবহ পরিণতি বয়ে আনতে পারে। আমি সব চালক, পথচারী ও যাত্রীদের প্রতি বিনীত আহ্বান জানাচ্ছি—আপনারা অনুগ্রহ করে জীবনের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ও নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করুন। সচেতনতাই পারে এমন দুঃখজনক ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে।
একটি নিষ্পাপ শিশুর প্রাণ চলে যাওয়ার পর আমরা শোক প্রকাশ করি, কিন্তু এই শোক যেন আমাদের দায় এড়ানোর অজুহাত না হয়। যারা এই ঘটনার পেছনে অবহেলাজনিতভাবে দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত এবং নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ একান্ত প্রয়োজন। একইসঙ্গে সেতু ব্যবস্থাপনায় আরও আধুনিক ও কার্যকর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করা আজ সময়ের দাবি।
আমি ব্যক্তিগতভাবে এই দুর্ঘটনায় শোকাহত পরিবারটির পাশে আছি, এবং প্রয়োজনে যেকোনো সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে প্রস্তুত। মহান আল্লাহ যেন এই নিষ্পাপ শিশুকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন, আর তার পরিবারকে এই অপূরণীয় শোক সইবার শক্তি দান করেন—এই প্রার্থনা করি।
আসুন, আমরা সবাই আরও দায়িত্বশীল হই। নিয়ম মানি, সচেতন থাকি—কারণ একটুখানি অসতর্কতা প্রাণ কেড়ে নিতে পারে একজন আদরের সন্তানের।
রবিউল হোসেন
সমাজসেবক, দানবীর ও ওমান প্রবাসী ব্যবসায়ী
গর্বিত সন্তান, বোয়ালখালী, চট্টগ্রাম।

