শিরোনাম
কার্গো ভিলেজে বারবার আগুন, বাড়ছে রহস্য ও প্রশ্ন“এপিবিএনের কল্যাণ, দক্ষতা ও জনসেবার মানোন্নয়নে আইজিপির সুদূরপ্রসারী দিকনির্দেশনা-“সাংবাদিকের বাসায় হামলা, সিসিটিভি ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি-ভিসা ছাড়াই ৩৬ দেশে ভ্রমণের সুযোগ বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদেরচার বছরেও শেষ হয়নি সড়ক ও কালভার্টের কাজ, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসীনতুন পে-স্কেল নিয়ে সুখবর, তিন ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনাহজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ হাজিতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

― Advertisement ―

কার্গো ভিলেজে বারবার আগুন, বাড়ছে রহস্য ও প্রশ্ন

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণ ত্রুটি, দায়িত্বে অবহেলা নাকি নাশকতা—কী কারণে এসব আগুন...

“কমিশনার হাসিব আজিজের দূরদৃষ্টি ও সততার পথে—বন্দর থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের সাফল্যের আলোকছটা”

Homeসম্পাদকীয়“কমিশনার হাসিব আজিজের দূরদৃষ্টি ও সততার পথে—বন্দর থানার ওসি আফতাব উদ্দিনের সাফল্যের...

-মো.কামাল উদ্দিনঃ
চট্টগ্রাম মহানগর—এ শহরটির স্পন্দন যেন প্রতিদিনই নতুন গল্প লেখে। নগরীর ভাঁজে ভাঁজে ছড়িয়ে থাকা জটিলতা, অপরাধজগতের কৌশল, রাজনৈতিক উত্তাপ, আর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা—সব মিলিয়ে এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কোনো সাধারণ দায়িত্ব নয়; এটি সাহস, দূরদৃষ্টি, আর নিষ্ঠার এক কঠিন পরীক্ষা। এই কঠিন পরীক্ষাগুলোয় দিনরাত যিনি বুদ্ধিমত্তা, সততা ও মানবিকতার সমন্বয়ে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন—তিনি চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অভিভাবক, পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ। আর তাঁর সেই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বেরই এক উজ্জ্বল আলো—বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ আফতাব উদ্দিন। মাত্র কয়েক দিন আগেই চায়না থেকে আধুনিক পুলিশিং, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা সেবাকে আরও উন্নত করার ওপর এক মাসব্যাপী উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়ে ফেরেন তিনি। একজন আধুনিক পুলিশ অফিসারের যে গুণাবলি থাকা প্রয়োজন—তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রযুক্তি ব্যবহারের দক্ষতা, মানবিকতায় বিশ্বাস—এসবই যেন স্বাভাবিকভাবে ধারণ করেন ওসি আফতাব উদ্দিন। তবে তার কৃতিত্বের আসল শিকড় যে নেতৃত্বের কাছে তিনি নিজেকে সমর্পণ করেছেন—সেই নেতৃত্বের নাম পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ। চান্দগাঁও থানায় সাফল্যের ইতিহাস ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর কমিশনার হাসিব আজিজের নির্দেশে তিনি ওসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন চান্দগাঁও থানায়। মাত্র ১১ মাসে তৈরি হয় এক অনন্য সাফল্যের ইতিহাস—এক নাগাড়ে ৬ বার ‘সেরা ওসি’ হওয়া, যা চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশে এক যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত। আইজিপি পদক এবং মাদার তেরেসা পদকের অর্জন তার দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা ও নৈতিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি কত গভীর—তা নিঃসন্দেহে প্রকাশ করে। চান্দগাঁও থানার চ্যালেঞ্জ ছিল বহুমুখী—মাদক, অস্ত্র, কিশোর গ্যাং, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামাজিক বিশৃঙ্খলা। তিনি ধাপে ধাপে সবগুলো ছড়িয়ে থাকা সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনেন। এলাকাবাসী পান নিরাপত্তার নতুন বাতাস, আর পুলিশ পায় জনবিশ্বাস পুনর্গঠনের এক নতুন মডেল। বন্দর থানায় দায়িত্ব—আরেক নতুন সূচনা ২০২৫ সালের ৭/৮ তারিখে বন্দর থানায় দায়িত্ব নিয়ে শুরু হয় তার নতুন যাত্রা। চট্টগ্রামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা—বন্দর, যেখানে অর্থনীতি, অবকাঠামো, শ্রমিক, রাজনীতি—সবই জটিলভাবে জড়িত। এখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব নেওয়া মানে প্রতিটি মুহূর্তেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়ানো। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় কর্মচঞ্চলতা। অস্ত্র উদ্ধার অভিযান, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, অপরাধচক্র ভাঙা, নিষিদ্ধ দলীয় অপতৎপরতা চিহ্নিতকরণ—সবখানেই তিনি দৃঢ় অবস্থান নেন। আজকের সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন—  “চট্টগ্রাম মহানগরে সাম্প্রতিক কিছু আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছিল। কমিশনার হাসিব আজিজ স্যারের নির্দেশে আমরা আবারও সোচ্চার হয়েছি। কঠোর অবস্থানের ফলেই আজ অস্ত্র উদ্ধার থেকে রাজনৈতিক শৃঙ্খলা—সবই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। স্যারই আমাদের অভিভাবক, তাঁর নেতৃত্বেই আমরা সফলতার পথে।” এই “অভিভাবক” শব্দটির গভীরে লুকিয়ে আছে পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজের সেই মানবিক ও শক্তিশালী নেতৃত্ব—যিনি কঠোরতা ও কোমলতা দুটিকেই সমন্বয় করে আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থাপনাকে দিয়েছেন নতুন প্রাণ। তার দিকনির্দেশনাই পুলিশের প্রতিটি কার্যক্রমকে ছুঁয়ে যায়। তার পরিকল্পনাতেই শহরের নিরাপত্তা কাঠামো সাজানো হয়। আর তাঁর আন্তরিকতা ও সৎ দৃষ্টিভঙ্গিই অধীনস্ত অফিসারদের মধ্যে আনে নতুন আত্মবিশ্বাস।  কমিশনার হাসিব আজিজ—এক দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
চট্টগ্রামের মতো বিশাল মহানগরে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা শুধুই কঠোর হওয়ার নাম নয়—এটি বিজ্ঞান, বুদ্ধি ও সহমর্মিতার সমন্বয়। কমিশনার হাসিব আজিজ এই তিন গুণের এক অসাধারণ উদাহরণ। তিনি আধুনিক পুলিশিং-এর ধারণাকে সামনে রেখে কাজ করেন—ডেটা অ্যানালাইসিস, প্রযুক্তিগত নজরদারি, মাঠপর্যায়ের উদ্যোগ, মানবিক পুলিশিং এবং সামাজিক অংশীদারিত্ব—সবই তার নেতৃত্বে সমন্বিত হয়। তিনি নিয়মিত অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক করেন, সমস্যা শোনেন, সমাধান দেন, উৎসাহ দেন, এবং নিরন্তর মনে করিয়ে দেন—“জনসেবা পুলিশের প্রথম কর্তব্য।” তার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ আজ আরও মানবিক, আরও দক্ষ, আরও প্রফেশনাল। অফিসার ইনচার্জ আফতাব উদ্দিন—দক্ষ নেতৃত্বের গর্বিত সৈনিক তাঁর প্রতিটি কথায়, প্রতিটি দায়িত্বে, প্রতিটি সফলতায় আমরা পাই নেতৃত্বের প্রতি এক বিশ্বাস—যে নেতৃত্ব পুলিশের মননে শুদ্ধতা আনে। তিনি বলেন—
“আমার স্যার আমাদের অভিভাবক। তাঁর যোগ্য নেতৃত্বেই আজ আমরা বন্দর এলাকাকে শান্তির বাতাস উপহার দিতে পেরেছি।”
শুধু কথা নয়—তার কাজই বলে দেয় তিনি তার নেতৃত্বের প্রতি কতটা দায়িত্বশীল। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপসহীন, ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আপ্রাণ, আর জননিরাপত্তায় নিবেদিত প্রাণ। সামনের পথ—চট্টগ্রামকে শান্তির নগরে রূপান্তর চট্টগ্রাম মহানগরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তভাবে ধরে রাখতে কমিশনার হাসিব আজিজের পরামর্শ— “অপরাধমুক্ত, নিরাপদ নগর গঠনে পুলিশকে হতে হবে জনবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর এবং সর্বদা সতর্ক।” ওসি আফতাব উদ্দিনের কণ্ঠেও সেই দৃঢ়তা—
“স্যারের নির্দেশে আমরা এগিয়ে যাবো—ইনশাআল্লাহ।” এই সমন্বয়—নেতার দূরদৃষ্টি ও অফিসারের নিষ্ঠা—তৈরি করছে চট্টগ্রামের নিরাপত্তার নতুন ইতিহাস। চট্টগ্রাম শহরের মানুষ আজ নতুন করে আশা করতে পারে—অন্ধকার যতই ঘন হোক, আলো ঠিকই পথ খুঁজে নেয়। আর সেই আলোর নেতৃত্বে আছেন—পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ।