শিরোনাম
“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদলইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইফটিকছড়িতে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুঃ স্বামী সহ ২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

― Advertisement ―

“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী—আবাসিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাসের কারণে আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এই এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস,...

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘অধিকার’-এর মানববন্ধন: গুমের শিকারদের স্মরণ ও বিচারের দাবি

Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ‘অধিকার’-এর মানববন্ধন: গুমের শিকারদের স্মরণ ও বিচারের দাবি

চট্টগ্রাম, ৩১ মে ২০২৫ – গুম হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে এবং গুমের সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছে মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’।

প্রতি বছর মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ‘গুমের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সপ্তাহ’ পালন করা হয়। ১৯৮১ সালে দক্ষিণ আমেরিকার একটি সংগঠন ‘ফেডেফ্যাম’ প্রথম এই সপ্তাহটি উদযাপন শুরু করে। এরপর থেকে বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার সংগঠনগুলো গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে এবং গুমের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়তে এই সপ্তাহটি পালন করে আসছে।

২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশে এই সপ্তাহটি পালিত হচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন কর্তৃত্ববাদী সরকারের পতন ঘটে।

অধিকার-এর মতে, হাসিনা সরকারের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অংশ হিসেবে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী, এমনকি কথিত ‘জঙ্গিদের’ বেআইনিভাবে আটক করে গোপন বন্দিশালায় রাখা হতো। বিশেষ করে ডিজিএফআই-এর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার ও র‍্যাবের বন্দিশালার কথা উল্লেখ করে বলা হয়, এসব স্থানে সরকারবিরোধী এবং ভারতবিরোধী অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিদের গুম করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হতো।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনেকে এখনও ফিরে আসেননি, কেউ কেউ ফিরে এলেও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে এবং কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। অনেকেই গুমের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

মানববন্ধনে ‘অধিকার’ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করে:

১. গুমের শিকার যারা এখনও ফেরত আসেননি, তাঁদের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা জনগণকে জানানো।

২. গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার যেন তাঁদের ব্যাংক হিসাব ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার আইনি সুযোগ পান, তা নিশ্চিত করা।

৩. কিছু গুম হওয়া ব্যক্তিকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল – এ বিষয়ে তদন্ত করে ভারত সরকারের সাথে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা।

৪. গুম থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁদের মুক্তি।

৫. গুমে জড়িত সকল ব্যক্তিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে বিচারের আওতায় আনা।

অধিকার-এর নেতারা বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও বিচারহীনতার সংস্কৃতি ভাঙতে হলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। মানববন্ধনে বিভিন্ন মানবাধিকার কর্মী, নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবার এবং সচেতন নাগরিকেরা অংশগ্রহণ করেন।