শিরোনাম
তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়

― Advertisement ―

তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে মানবিক সংগঠন হিউম্যানিজম প্রায়োরিটি ফাউন্ডেশন।...

চার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন ফেল করা শিক্ষার্থীরা

Homeজাতীয়চার দাবিতে আন্দোলনে নামছেন ফেল করা শিক্ষার্থীরা

সদ্য প্রকাশিত ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলে নজিরবিহীন ধসের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন অকৃতকার্য ও আশানুরূপ ফল না পাওয়া শিক্ষার্থীরা। তাদের প্রধান চার দফা দাবিতে আগামী রোববার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টায় ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সামনে গণজমায়েত করার জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত ২১ বছরে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০০৪ সালে পাসের হার ছিল ৪৭.৭৪ শতাংশ। শুধু পাসের হার নয়, জিপিএ-৫ প্রাপ্তিসহ ফলের সব সূচকেই এবার ব্যাপক ধস নেমেছে। এই ফল বিপর্যয়ের পরই শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নামার ঘোষণা দেন। তবে আন্দোলনের মূল আয়োজকদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে। ​শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবি: শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত প্রধান চার দফা দাবি হলো: ১. সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার ব্যবস্থা করা: ফল খারাপ হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য দ্রুত সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষার আয়োজন করা। ২. খাতা পুনর্মূল্যায়ন: বোর্ড চ্যালেঞ্জের ক্ষেত্রে কেবল খাতা পুনর্নিরীক্ষণ নয়; বরং খাতার পূর্ণাঙ্গ পুনর্মূল্যায়ন করা এবং ১০০ নম্বরের সকল অংশ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্র্যাকটিক্যাল) রিচেক করা। ৩. নম্বর বিভাজন প্রদর্শন: ফেল করা বিষয়ের নম্বর সকল অংশসহ (এমসিকিউ, সিকিউ, প্র্যাকটিক্যাল) আলাদাভাবে মার্কশিটে প্রদর্শন করা। ৪. সম্মিলিত পাসের ব্যবস্থা: সিকিউ ও এমসিকিউ মিলিয়ে সম্মিলিতভাবে পাশের ব্যবস্থা চালু করা। ফল বিপর্যয়ের চিত্র: ২০২৫ সালের এইচএসসির ফলে অধিকাংশ বোর্ডেই পাসের হার রেকর্ড পরিমাণে কমেছে। • ​পাসের হার: ১১টি বোর্ডে গড় পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১৯ শতাংশ কম। • ​সিলেট বোর্ড: এ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৮৬ শতাংশ, যা গতবারের চেয়ে প্রায় ২৪ শতাংশ কম। • ​কুমিল্লা বোর্ড: সবচেয়ে কম পাসের হার দেখা গেছে এ বোর্ডে, ৪৮.৮৬ শতাংশ। • ​কারিগরি বোর্ড: ফল ধসের রেকর্ড ছাড়িয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এ বোর্ডে পাসের হার কমেছে ২৬ শতাংশেরও বেশি। গ্রুপভিত্তিক ফলে দেখা যায়, বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৮.৭২ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষায় ৫৫.৫৮ শতাংশ এবং মানবিকে সবচেয়ে কম ৪৮.২৩ শতাংশ। শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই অস্বাভাবিক ফল বিপর্যয়ের কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যার প্রতিকার চেয়েই তারা এই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন।