শিরোনাম
কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখের বেশি কৃষক: অর্থমন্ত্রীযেখানে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা—তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? খুলশীতে সন্ত্রাসী তাণ্ডবের অভিযোগ, আহত ওসি আবদুর রহিমসহ পুলিশ সদস্যরা– “” ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার পরও কি অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে?“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদল

― Advertisement ―

জরাজীর্ণ ভবন জঙ্গলে ঢাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্র যেন ভূতের বাড়ি

Homeআন্তর্জাতিকজরাজীর্ণ ভবন জঙ্গলে ঢাকা স্বাস্থ্যকেন্দ্র যেন ভূতের বাড়ি

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রটি যেন এখন ভূতের বাড়িতে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রথম দেখায় মনে হবে, এটি শত বছরের পুরোনো কোনো পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ বাস্তবে এটি একটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। সম্প্রতি সরেজমিন দেখা যায়, ভবনের ছাদে বড় ফাটল, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এবং চারপাশে গজিয়ে ওঠা বন-জঙ্গলে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্বাভাবিক পরিবেশ হারিয়ে গেছে। এ ছাড়াও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। দরজা-জানালাও ভাঙা। বৃষ্টির পানি জমে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্তে বিষাক্ত সাপের বিচরণ বলে শঙ্কা স্থানীয়দের। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কোনো ওষুধও নেই বলে অভিযোগ রয়েছে। একজন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার থাকলেও তিনি সপ্তাহে মাত্র দুদিন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে আমি এখানে ব্যবসা করছি। এর মধ্যে ৩০ বছর ধরে হাসপাতালটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালের নিজেরই সেবার প্রয়োজন। রোগীরা সেবা নিতে আসতে ভয় পান। হাসপাতালের ভেতরে পানি পড়ছে। বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। ডাক্তারও মাঝে মধ্যে আসেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য ইয়াকুব বলেন, হাসপাতালের অবস্থা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এটি বন্ধ না করলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এখানে সেবা দিতে আসতে ভয় লাগে। হাসপাতালের আশপাশে অনেক গর্ত রয়েছে। এসব গর্তে সাপ থাকারও সম্ভাবনা রয়েছে। চারদিকে বন-জঙ্গল থাকায় ডেঙ্গু মশার বিস্তারও রয়েছে। এতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। স্বাস্থ্যসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রোগীদের ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু আয়রন ট্যাবলেট ও শিশুদের কন্ট্রাসেপটিভ ডিভাইস রয়েছে। এলাকার মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা চালু রাখতে হলে পাশেই একটি বহুতল আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে দুটি কক্ষ বরাদ্দ দেওয়া হলে স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনাবিষয়ক কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। এরই মধ্যে হাসপাতালের পুনর্নির্মাণের জন্য তালিকাভুক্ত হয়ে অনুমোদন হয়েছে। অল্প সময়ের মধ্যেই এর কার্যক্রম শুরু হবে।