শিরোনাম
“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদলইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইডিবির সঙ্গে বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সইফটিকছড়িতে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যুঃ স্বামী সহ ২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা

― Advertisement ―

“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী—আবাসিক এলাকা, গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের বসবাসের কারণে আইনশৃঙ্খলার দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এই এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস,...

তারেক রহমানের সাক্ষাৎকারে ভুল উদ্ধৃতি সংশোধনের আহ্বান টিআইবির

Homeজাতীয়তারেক রহমানের সাক্ষাৎকারে ভুল উদ্ধৃতি সংশোধনের আহ্বান টিআইবির

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে যে সাক্ষাৎকার দেন, তা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশের সময় দুর্নীতির একটি সূচকে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গত সোমবার তারেক রহমানের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস (এফটি)। সেখানে এক জায়গায় উল্লেখ করা হয়, ‘বিএনপির আগের আমলে (২০০১–২০০৬) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের তালিকায় ছিল।’ এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) টিআইবি জানিয়েছে, এটি তথ্যগত ভুল এবং বেশকিছু বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমেও তা একইভাবে ছাপানো হয়েছে। এবিষয়ে টিআইবির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল তাদের দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ১৯৯৫ সাল থেকে প্রকাশ করে আসছে। এতে বাংলাদেশকে প্রথমে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ২০০১ সালে, যে সময় জরিপকৃত সবদেশের মধ্যে সবচেয়ে কম স্কোর ছিল বাংলাদেশের। তখন ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার। এরপরের চার বছর টানা বাংলাদেশ সূচকের সর্বনিম্ন স্কোর করে, যখন ২০০২-২০০৫ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিল বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকার। সুতরাং, এফটি যে বলেছে, বাংলাদেশ বিএনপির আমলেই টানা পাঁচ বছর দুর্নীতির শীর্ষে ছিল এটি তথ্যগত ভুল। চীন থেকে যুদ্ধবিমান কেনা প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা / জানলে যে সব বলে দিতে হবে সেটা তো না সিপিআই অনুযায়ী, দুর্নীতির ধারণার মাত্রাকে ০ (শূন্য) থেকে ১০০ (একশ)–এর স্কেলে নির্ধারণ করা হয়। এই পদ্ধতি অনুসারে স্কেলের ০ (শূন্য) স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বোচ্চ এবং ১০০ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতা সর্বনিম্ন বলে ধারণা করা হয়। অর্থাৎ, স্কোর কম হওয়ার অর্থ দুর্নীতির মাত্রা বেশি। তাই এ ভুল আমলে নিয়ে টিআইবি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের সঠিক ও নিশ্চিত তথ্য তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছে। এবিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, না হলে যেকোনো প্রকার ভুল বোঝাভুঝি সৃষ্টি হতে পারে, বা এই তথ্যের ভিন্ন অর্থ দাঁড় করানো হতে পারে। টিআইবির পক্ষ থেকে ইতোমধ্যেই এই ত্রুটিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর দাবির বিষয়ে এফটির সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে একটি সংশোধনী প্রকাশের অনুরোধ করা হয়েছে। টিআইবি আরও জানায়, সিপিআই সূচক তৈরি ও প্রকাশ করে তাদের মূল সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। সেখানে টিআইবি কোনো ভূমিকা রাখে না। ফলে টিআইবির নিজস্ব গবেষণার বিশ্লেষণ বা তথ্য এতে অন্তর্ভুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের অন্য দেশের চ্যাপ্টারের মতোই টিআইবি শুধু বাংলাদেশের জাতীয় পর্যায়ে মূল সংস্থার সিপিআই সূচকের ফলাফল তুলে ধরে।