
ফিলিস্তিনের গাজায় ফের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। যদিও গাজার কর্তৃপক্ষ এটি দাবি করলেও, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তা অস্বীকার করেছে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির সময় আইডিএফ ফিলিস্তিনিদের বারবার সতর্ক করেছে যাতে তারা ইসরায়েলি সামরিক নিয়ন্ত্রণাধীন গাজার কোনো এলাকায় না যান। এর পরই দক্ষিণ গাজায় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়। তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আজ দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস এলাকায় তারা কোনো বিমান হামলার বিষয়ে অবগত নয়। খান ইউনিসের নাসের হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, আজ সকালেই গাজা শহরের দক্ষিণ অংশে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলের ফেরত দেওয়া মরদেহগুলোতে ভয়াবহ নির্যাতনের চিহ্ন ধরা পড়েছে। লন্ডনের মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, ফেরত আসা মরদেহগুলোর মধ্যে গলাচেপে হত্যা, গুলি চালানো এবং ট্যাংকচাপায় মৃত্যুর স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে। হামাসের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তির অংশ হিসেবে, মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) ইসরায়েল গাজার ৪৫ জনের অজ্ঞাত মরদেহ ফেরত দিয়েছে। নাসের হাসপাতালের সূত্র মিডল ইস্ট আইকে জানিয়েছে, রেড ক্রসের মাধ্যমে আসা মরদেহগুলোর মধ্যে কিছু সম্প্রতি নিহত, আবার কিছু পচনধরা বা আংশিক অবস্থায় এসেছে। অনেক মরদেহে চরম নির্যাতনের চিহ্ন ছিল, যেমন গলা টিপে হত্যা, হাড় ভাঙা, অঙ্গহানি ও বিকৃত অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। কিছু মরদেহের হাত-পা বাঁধা এবং চোখ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গেছে, আবার কিছু মরদেহের হাত বা পা অনুপস্থিত ছিল।


