শিরোনাম
ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তারযাত্রাবাড়ীতে ২১৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারশেখ হাসিনার পতন, দেশত্যাগ, এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিঃএক বছর আগে যে আলো দেখেছিলাম হাসিব আজিজ—চট্টগ্রামের কমিশনার থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, এপিবিএন প্রধানসমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতা

― Advertisement ―

ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে...

নিরীহ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলম ববিকে মিথ্যা মামলায় আসামি করার ষড়যন্ত্র! সচেতন সাংবাদিক হিসেবে পুলিশ কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা”

HomeUncategorizedনিরীহ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলম ববিকে মিথ্যা মামলায় আসামি করার ষড়যন্ত্র! সচেতন সাংবাদিক...

মো.কামাল উদ্দিনঃ
সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামের কালুরঘাট এলাকায় সংঘটিত একটি গুলির ঘটনায় দায়ের হতে যাওয়া মামলায় সুনামধন্য বালু ব্যবসায়ী ও কালুরঘাট সেতুর ইজারাদার মোহাম্মদ আলম ববিকে মিথ্যা আসামি করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একজন সচেতন সাংবাদিক ও লেখক হিসেবে এই বিষয়ে সরাসরি চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত কমিশনার হাসিব আজিজ সাহেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমি মো. কামাল উদ্দিন—দৈনিক ভোরের আওয়াজ-এর যুগ্ম সম্পাদক, দীর্ঘদিন ধরে সমাজবিষয়ক অপরাধ ও প্রশাসনিক অন্যায় নিয়ে লেখালেখি করে আসছি। অপরাধ দমন ও তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বহুবার আমি সরাসরি পুলিশ কমিশনারসহ বিভিন্ন পর্যায়ে প্রশাসনকে তথ্য দিয়েছি, এবং লেখনীর মাধ্যমে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করেছি।
এই ঘটনার আলোকে যা জানতে পেরেছি তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ঘটনার পেছনের বাস্তবতা:
কালুরঘাট এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি এক বালু ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এই ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের সাহসী অফিসার ওসি আফতাব উদ্দিন নেতৃত্বে মূল অভিযুক্তকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তবে এর মধ্যেই একটি প্রভাবশালী মহল এই ঘটনায় দীর্ঘদিনের সুনামধন্য ও নিরীহ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলম ববিকে জড়িয়ে তাকে ১ নম্বর আসামি করার ষড়যন্ত্র করছে। বিষয়টি শুধু অমানবিক নয়, এটি চরম অন্যায় ও আইনের অপব্যবহার।
কে মোহাম্মদ আলম ববি?
মোহাম্মদ আলম ববি শুধু একজন বালু ব্যবসায়ী নন, তিনি বহু বছর ধরে সুনামের সাথে কালুরঘাট সেতু পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বারবার সন্ত্রাসীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন তিনি—তার বালুর ঘাটে হামলা, চাঁদাবাজি, গুলি চালানো, অফিসে অগ্নিসংযোগ—এসব সহ্য করেও আইনের প্রতি আস্থা রেখে তিনি ন্যায়বিচারের জন্য চুপ থেকেছেন।
এমন একজন ব্যক্তি, যিনি নিজের জান-মাল রক্ষা করতেও বারবার পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তা নিয়েছেন, তাকে শুধুমাত্র ‘বালু ব্যবসায়ী’ পরিচয়ের ভিত্তিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় জড়িয়ে দেওয়া মানেই হচ্ছে—একজন নিরীহ নাগরিককে হয়রানি ও সামাজিকভাবে অপমান করা।
সচেতন সাংবাদিক হিসেবে আমি বলতে চাই—
আমার এই বক্তব্য কোনো পক্ষাবলম্বন নয়। আমি চাই প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় মোহাম্মদ আলম ববি এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত—তাহলে অবশ্যই তাকে আইনের আওতায় আনা হোক। কিন্তু তদন্তের আগেই তাকে মামলার ১ নম্বর আসামি করা মানে বিচার ব্যবস্থার ওপর থেকে মানুষের আস্থা নষ্ট করা, যা কাম্য নয়।
পুলিশ কমিশনারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান: চট্টগ্রামের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ সাহেব,
আপনার দপ্তর আইনের প্রতীক। আপনি সবসময় অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন—সেই বিশ্বাস থেকেই আজ এই নিবেদন করছি। আপনার সরাসরি হস্তক্ষেপ এই নিরীহ ব্যবসায়ীকে মিথ্যা মামলার জালে পড়া থেকে রক্ষা করতে পারে। আপনার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম পুলিশ যদি নিশ্চিত করে, কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় না জড়ান, তাহলে সেটি হবে আইনের প্রকৃত বিজয়। আমার প্রতিশ্রুতি:
আমি একজন অনুসন্ধানী লেখক হিসেবে এই ঘটনাটি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। মামলা দায়ের হলে আমি একটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তভিত্তিক প্রতিবেদন তৈরি করব, যাতে প্রকৃত ঘটনা ও অপরাধীদের পরিচয় সবার সামনে উন্মোচিত হয়। আমার লেখনীতে সত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা থাকবে, পক্ষপাত থাকবে না। পরিশেষে, একজন লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি—মোহাম্মদ আলম ববিকে যেন মিথ্যা মামলায় আসামি না করা হয়। তদন্ত হোক, সত্য বেরিয়ে আসুক, এবং কেবল সত্যিকারের অপরাধীরাই শাস্তি পাক—এই হোক চট্টগ্রাম পুলিশের ন্যায়নিষ্ঠ অবস্থান।