শিরোনাম
কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখের বেশি কৃষক: অর্থমন্ত্রীযেখানে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা—তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? খুলশীতে সন্ত্রাসী তাণ্ডবের অভিযোগ, আহত ওসি আবদুর রহিমসহ পুলিশ সদস্যরা– “” ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার পরও কি অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে?“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদল

― Advertisement ―

নেইমারকে কেন্দ্র করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির তীব্র সমালোচনা

Homeখেলাধুলানেইমারকে কেন্দ্র করে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির তীব্র সমালোচনা

ব্রাজিলের ফুটবল ইতিহাসে এমারসন লেওর নাম আলাদা স্থান ধরে রাখে। ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপজয়ী এই কিংবদন্তি গোলরক্ষক ও পরবর্তী সময়ে সফল কোচ এবার কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন দেশেরই তারকা নেইমারকে। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লেও স্পষ্ট বলেছেন, “নেইমার কারও জন্য উদাহরণ হতে পারেন না।” সাম্প্রতিক সময়ে সান্তোসে ফিরে নেইমারের দিনগুলো সুখকর নয়। চোটের কারণে নিয়মিত মাঠের বাইরে থাকছেন, খেলার ছন্দ হারিয়েছেন এবং দলও অবনমনের হুমকির মুখে। সেই পরিস্থিতিতে লেও বলেন, “সে শুরু করেছিল এক অসাধারণ প্রতিভা হিসেবে। একবার সান্তোসের বিপক্ষে খেলতে গিয়ে আমি তার পাশে হাঁটছিলাম। বলেছিলাম, ‘শোনো ছেলে, বিশ্বকাপে তোমার প্রয়োজন, নিজের যত্ন নাও।’ কিন্তু সে তা কখনও করেনি।” তিনি আরও যোগ করেন, “নেইমারের ব্যাপারে বেশি কিছু বলার নেই। মাঠের বাইরের মানুষ ও মাঠের ভেতরের মানুষ একে অপরের প্রতিফলন। সে ফুটবল খেলা ছেড়েছে না, কিন্তু আগের উদ্যম আর শক্তি এখন নেই। কারণ সে প্রস্তুত নয়। ফলস্বরূপ বারবার চোট পাচ্ছে এবং পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়ছে।” সান্তোসে তিন দফা কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করা লেও, যার মধ্যে ২০০১-০২ মৌসুমে সাও পাওলোকে লিগ শিরোপা এনে দিয়েছিলেন, বর্তমান প্রজন্মের খেলোয়াড়দের মানসিকতাও নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আজকাল অনেক খেলোয়াড় শৃঙ্খলা হারিয়েছে। কিন্তু নেইমার যেভাবে নিজের শরীর ও পেশাদারিত্বকে অবহেলা করছে, তা আরও দুঃখজনক। এক সময় সে আমাদের অনুপ্রেরণা ছিল, কিন্তু এখন আর নয়।” শেষের দিকে লেওর সমালোচনা আরও কঠোর হয়: “আমি ওকে আর সমাধান হিসেবে দেখি না। ওর সেরা সময় শেষ। এখন সে জানে মাঠে কী করতে হবে, কিন্তু শরীর সাড়া দেয় না। পেশির প্রতিক্রিয়া আগের মতো নেই, প্রশিক্ষণেও ধারাবাহিকতা হারিয়েছে। ও আর আগের নেইমার নয়, এখন সে পুরোপুরি অকার্যকর।” এমন কঠোর মন্তব্যে ব্রাজিলিয়ান মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বিশেষ করে এমারসন লেওর মতো কিংবদন্তির মুখ থেকে এ সমালোচনা আরও তাৎপর্যপূর্ণ, যিনি দেশীয় ফুটবলে শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এক সময় ব্রাজিলের ভবিষ্যৎ বলার যেটি শুনি, সেটি ছিল নেইমার। কিন্তু ক্রমাগত চোট, অনিয়মিত পারফরম্যান্স ও বিতর্কিত জীবনযাপন আজ যেন তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আলোকে ম্লান করে দিচ্ছে। এমারসন লেওর হতাশা শুধু একজন খেলোয়াড়কে নয়, পুরো ব্রাজিলিয়ান ফুটবল সংস্কৃতিকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে—নেইমার কি সত্যিই হারিয়েছেন সেই ছেলেটিকে, যে একসময় সেলেসাওয়ের ভবিষ্যৎ হিসেবে পরিচিত ছিল?