শিরোনাম
কৃষিঋণ মওকুফ সুবিধা পেয়েছেন ১৪ লাখের বেশি কৃষক: অর্থমন্ত্রীযেখানে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশের ওপর হামলা—তাহলে সাধারণ মানুষ যাবে কোথায়? খুলশীতে সন্ত্রাসী তাণ্ডবের অভিযোগ, আহত ওসি আবদুর রহিমসহ পুলিশ সদস্যরা– “” ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা, প্রশ্ন—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলার পরও কি অপরাধীরা পার পেয়ে যাবে?“সন্ত্রাসের সামনে আপসহীন ওসি আবদুর রহিম—খুলশীতে আইনের শাসনের নতুন বার্তা”চরণদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাচরনদ্বীপে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভাঢাকা–কক্সবাজার আকাশপথে ভাড়ার নৈরাজ্য বন্ধ করুন | “পর্যটন রাজধানীকে জিম্মি করে বিমানভাড়া বাড়ানোর সুযোগ দেওয়া যায় না” | সরকারের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডেরদূরের দেশ, কাছের মানুষ—মুনা উইলসনের সঙ্গে শারজাহ বিমানবন্দরে দুই ঘণ্টার মায়াবী সাক্ষাৎ দূরের দেশ, কাছের মানুষ-দেশে সংকটের মাঝে মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে সারবন্যায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত, বাংলাদেশে নেপালের বিদ্যুৎ রপ্তানি বন্ধরেলওয়ের তিন শীর্ষ পদে বড় রদবদল

― Advertisement ―

বিদ্যালয়ে নেই পানির ব্যবস্থা, নেই মাঠ

Homeআন্তর্জাতিকবিদ্যালয়ে নেই পানির ব্যবস্থা, নেই মাঠ

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গঙ্গেশকাটি এলাকার ৬৯নং মহিউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, খেলার মাঠ, ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবে ব্যাপক ভোগান্তিতে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নেই কোনো গভীর নলকূপ বা বিশুদ্ধ পানির উৎস। শিক্ষার্থীদের দূর থেকে পানি এনে খেতে হয়। নেই একটি খেলার মাঠও। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বারান্দায় ছোটাছুটি ও খেলাধুলায় সীমাবদ্ধ। বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ের চারপাশ প্লাবিত হয়ে পড়ে, যাতায়াতের পথ হাঁটু পানি ডুবে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা চরম দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলে, অনেক সময় পানি পিপাসা পেলেও পানি খেতে পারি না, টিউবওয়েল নেই। অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী হাসিবা জানায়, বর্ষার ছয় মাস স্কুলের চারপাশ ডুবে থাকে। হাঁটু পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়। অনেকেই আসতে পারে না। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা বলে, রাস্তার পানি ভেদ করে স্কুলে যেতে গিয়ে বই-খাতা ভিজে যায়। তখন আর স্কুলে যাওয়া হয় না। বিদ্যালয়ের যাতায়াত পথে প্লাবনের কারণে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, টিউবওয়েলের জন্য উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। সহকারী শিক্ষক অনুপম জানান, স্থানীয়ভাবে একটি সেলো কল বসানো হলেও তা আয়রনযুক্ত হওয়ায় সেই পানি খাওয়ার উপযোগী নয়।” এক অভিভাবক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমার সন্তান মাঝে মাঝে স্কুল থেকে পানি খেতে আমাদের বাড়িতে আসে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটও রয়েছে, এতে পড়াশোনার মান দিনদিন খারাপ হচ্ছে। ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, “আমার কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ থাকলে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করে দিতাম। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, আমি মাত্র চার দিন আগে জয়েন করেছি, এখনো সবকিছু অবগত না। তবে লিখিত আবেদন পেলে আমি ব্যবস্থা নেব। আমার এখতিয়ারে থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।