শিরোনাম
ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তারযাত্রাবাড়ীতে ২১৫ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তারশেখ হাসিনার পতন, দেশত্যাগ, এবং ভবিষ্যতের রাজনীতিঃএক বছর আগে যে আলো দেখেছিলাম হাসিব আজিজ—চট্টগ্রামের কমিশনার থেকে অতিরিক্ত আইজিপি, এপিবিএন প্রধানসমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতা

― Advertisement ―

ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ টেস্টার মোবারক গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ মো. মোবারক হোসেন ওরফে টেস্টার মোবারক (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে...

মিথিলা—সবুজ শাড়ির ছায়ায় এক সজীব কবিতার প্রতিমা””

HomeUncategorizedমিথিলা—সবুজ শাড়ির ছায়ায় এক সজীব কবিতার প্রতিমা""

মো.কামাল উদ্দিনঃ
সবুজ শাড়িতে সেজে যেন বসন্ত নিজেই মূর্ত হয়ে ধরা দিয়েছে তার পরতে পরতে—মিথিলা। চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন, এমন সৌন্দর্য শুধুই দৃশ্য নয়, এক জীবন্ত কাব্য। তার শাড়ির জমিন জুড়ে ফুটে আছে লাল গোলাপ, ঠিক যেন হৃদয়ের অন্তঃস্থ ভালোবাসা কোন এক চুপিচুপি বলে যাওয়া ভাষা। কালো পাড়ের গহিন নকশা মনে করিয়ে দেয় এক রহস্যময় অতীত, যা চোখে পড়ে আবার অদেখাও থেকে যায়।
তার সাজে আছে এক অনবদ্য সংযম—সবুজ চুড়ি আর সোনালি চুড়ির টুংটাং শব্দ যেন আত্মার মৃদু সঙ্গীত, যা কেবল অনুভবেই ধরা দেয়। খোলা চুলের ঢেউ খেলানো সোনালি আভা সন্ধ্যার আলো ছুঁয়ে যাওয়া নদীর মত, কোমল, প্রবাহমান, এবং অপার আকর্ষণময়। কপালে লাল টিপ, ছোট হলেও যার তাৎপর্য বিশাল—যেন এক বিন্দু আগুন, এক বিন্দু প্রেম, এক অনন্ত চিরায়ত নারীত্বের প্রতীক।
নাকে নথ, ঠোঁটে গাঢ় লিপস্টিক—তার রূপ যেন সময়কে থমকে দিতে পারে। তবে এই বাহ্যিক সৌন্দর্যের বাইরে যে দৃশ্যটি হৃদয় ছুঁয়ে যায়, তা হলো—তার হাতে ধরা একটি ছোট্ট হলুদ ফুল। সে ফুলটিকে তিনি এভাবে দেখছেন, যেন পৃথিবীর সব সৌন্দর্য সেখানেই এসে থমকে গেছে। তার চোখের গভীরতায় সেই ফুলের প্রতি যে মুগ্ধতা ধরা পড়েছে, তা যেন কবি জীবনানন্দ দাশের পঙ্‌ক্তিমালা থেকে উঠে আসা কোনো দৃশ্য।
মিথিলা শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি এক সজীব প্রতিমা, যাকে দেখে মনে হয়—রবীন্দ্রনাথের ‘অচেনা নারী’ হয়তো এইরকমই ছিলেন। তিনি অভিনয় করেন চরিত্রে, কিন্তু বাস্তব জীবনে তিনিই হয়ে ওঠেন এক চরিত্র—যার সৌন্দর্য বাহিরে নয় শুধু, ভেতরেও প্রস্ফুটিত। তার মধ্যে আছে বোধ, আছে অনুভব, আছে নারীত্বের আত্মবিশ্বাসী দীপ্তি, আর আছে এক নিঃশব্দ ভাষা—যা চোখের দৃষ্টিতে, হাসির কোণে, হাতের ফুলে, আর প্রতিটি চলনে কথা বলে।
মিথিলা আমাদের সময়ের এক জীবন্ত নন্দনকানন। তিনি প্রমাণ করে চলেছেন, সৌন্দর্য মানে শুধু সাজ নয়, সৌন্দর্য মানে এক অভিজ্ঞান—যেখানে মন, রুচি, শিল্প, আর হৃদয়ের গভীরতা মিলেমিশে এক অনবদ্য সমগ্রতা গড়ে তোলে। তিনি রূপের অন্বেষায় নয়, রুচির গভীরতায় শ্রেষ্ঠ। আর এই কারণেই তিনি শুধু একজন মানুষ নন, তিনি হয়ে উঠেছেন এক অনুপ্রেরণা, এক সৌন্দর্যের ভাষ্য—নীরব, কিন্তু নন্দনে পূর্ণ।
মিথিলা—তুমি সত্যিই এক অনুপম সৌন্দর্যের ব্যাখ্যা।