শিরোনাম
সমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণএপিবিএনকে আরও বিস্তৃত ক্ষমতা দিতে নতুন আইন হচ্ছেবিমানবন্দর এলাকায় ছিনতাইয়ের সময় একজন গ্রেপ্তারআধুনিক চিকিৎসাসেবায় নতুন আস্থার ঠিকানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতালতখন এস আলমের নাম নেওয়াই ছিল অপরাধ—আজ ফেসবুকের স্মৃতিতে ফিরে এলো আমার সেই সাহসী লেখা এস আলম গ্রুপকে বাঁচানোর সেই আর্তনাদ, চট্টগ্রামের শিল্প-অর্থনীতি ও আমার বিবেকের দায়-মরুর বুকে ভ্রমণের গল্প, শব্দে শব্দে জীবনের মুগ্ধতালায়ন্স ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এবং লিও ক্লাব অব চিটাগং ইউনাইটেড স্টারস এর জমকালো আয়োজনে চার্জ হস্তান্তর-গ্রহণ ও চার্টার সেলিব্রেশনভেনিসে অভিনেত্রী বাঁধনের ওপর হামলা, ভিডিও বিশ্লেষণে শনাক্ত কয়েকজনআরও এক কারাবন্দীর মৃত্যু ঢাকা মেডিকেলে, দুই দিনে মারা গেলেন ৪ জনবেকারি কামাল’—একটি নামের ভেতরে তিন যুগের সংগ্রাম, সাফল্য, ব্যর্থতা ও মানুষের গল্প

― Advertisement ―

সমাজের নৈতিক পরিবর্তনে সীরত মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সীরতুন্নবী (সা.) মাহফিলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। যুগশ্রেষ্ঠ আলেম হযরত মাওলানা হাফেজ আহমদ প্রকাশ শাহ্ সাহেব...

**যুক্তরাষ্ট্র গাজায় যুদ্ধবিরতি সমন্বয় কেন্দ্রের বেসামরিক প্রধান নিয়োগ দিল**

Homeআন্তর্জাতিক**যুক্তরাষ্ট্র গাজায় যুদ্ধবিরতি সমন্বয় কেন্দ্রের বেসামরিক প্রধান নিয়োগ দিল**

ফিলিস্তিনের গাজায় যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ সংস্থার বেসামরিক প্রধান হিসেবে একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিককে মনোনীত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শুক্রবারের তথ্য অনুযায়ী, পেশাগত কূটনীতিক স্টিভ ফ্যাগিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল প্যাট্রিক ফ্র্যাঙ্কের সঙ্গে কাজ করবেন। প্যাট্রিক যুদ্ধবিরতির পর স্থাপিত সমন্বয় কেন্দ্রে সামরিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ কেন্দ্রের বেসামরিক প্রধান হিসেবে তার সহযোগিতা করবেন স্টিভ ফ্যাগিন। খবরটি দিয়েছে টিআরটি ওয়ার্ল্ড। যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিকে কার্যকর ও টেকসই করতে ‘বেসামরিক-সামরিক সমন্বয় কেন্দ্র’ (Civil-Military Coordination Center) গঠন করেছে। এখানে প্রায় ২০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তারা ইসরায়েল, ইউরোপীয় দেশগুলোর সৈন্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডানের প্রতিনিধি, জাতিসংঘ ও মানবিক সহায়তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছে। কেন্দ্রটি গাজা থেকে খুব দূরে নয়। শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এটি পরিদর্শন করে একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “উত্থান-পতন থাকবে, তবে অগ্রগতির প্রতি আমাদের সুস্থ আশাবাদের যথেষ্ট কারণ রয়েছে।” ফাগিনের মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০২২ সাল থেকে তিনি ইয়েমেনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, মূলত সৌদি আরব থেকে। অস্থির সময়ে মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় তার অবদান প্রশংসনীয়। এছাড়া তিনি তিন মাস বাগদাদে শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তার দক্ষতা প্রমাণিত হয়েছে।