শিরোনাম
তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়

― Advertisement ―

তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে মানবিক সংগঠন হিউম্যানিজম প্রায়োরিটি ফাউন্ডেশন।...

রানী রাসমণি ঘাটে অবৈধ ইলিশ নিধন বন্ধে ব্যর্থতা — প্রশাসনের অভিযানেও থামছে না পাচারচক্র

Homeচট্টগ্রামরানী রাসমণি ঘাটে অবৈধ ইলিশ নিধন বন্ধে ব্যর্থতা — প্রশাসনের অভিযানেও থামছে...

নিজস্ব প্রতিবেদক:  চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলী এলাকার রানী রাসমণি ঘাটে অবৈধভাবে ইলিশ মাছ ধরার প্রবণতা কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের টানা অভিযান, কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনীর টহল সত্ত্বেও প্রতিনিয়ত এই ঘাট থেকে শত শত মেট্রিক টন ইলিশ পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রানী রাসমণি ঘাটের প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি—ক্যালন মাঝি ও মন্নান—দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ইলিশ নিধন ও সরবরাহের সঙ্গে জড়িত। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়েও তাদের নেতৃত্বে জেলেরা রাতে ইলিশ আহরণ করছে এবং পাইকারি ও খুচরা বাজারে সরবরাহ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম একাধিকবার এ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেছেন। তাছাড়া কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনও যৌথভাবে অভিযান চালিয়েছে। তবে ধারাবাহিক অভিযানের পরও কার্যকর ফলাফল না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ ব্যবসা টিকে আছে। পূর্বে ক্ষমতাসীন দলের কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতা ব্যবহার করে তারা এই ব্যবসা পরিচালনা করত বলে স্থানীয়রা দাবি করেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও তারা নতুন পরিচয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় জেলে সম্প্রদায়ের একাধিক সদস্য জানিয়েছেন, প্রশাসনের নজরদারি বাড়লেও রাতের অন্ধকারে ঘাট থেকে ইলিশ পাচার অব্যাহত রয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, “মা ইলিশ রক্ষায় আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় প্রশাসন সবাই মাঠে তৎপর রয়েছেন। সেনাবাহিনীও আমাদের সহযোগিতা করছে। প্রতিদিন মাছ ধরা ও পাচারের ঘটনায় জেলেদের জরিমানা করা হচ্ছে এবং আইনের আওতায় আনা হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় সহযোগিতা ছাড়া এই সিন্ডিকেট ভাঙা স্থায়ীভাবে কঠিন।” বিশ্লেষকরা মনে করেন, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে হলে স্থানীয় প্রশাসন, জেলেদের সংগঠন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অন্যথায় এমন সিন্ডিকেটগুলো আইনকে ফাঁকি দিয়ে দেশের মৎস্যসম্পদ ধ্বংস করবে এবং মা ইলিশ নিধনের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক মৎস্য উৎপাদন হুমকির মুখে পড়বে।