শিরোনাম
তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়

― Advertisement ―

তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে মানবিক সংগঠন হিউম্যানিজম প্রায়োরিটি ফাউন্ডেশন।...

অযত্নে পড়ে অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স

Homeআন্তর্জাতিকঅযত্নে পড়ে অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স

ভোলার দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বরাদ্দকৃত অর্ধকোটি টাকার নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি গত ৭–৮ বছর ধরে বেতুয়ার খালে অযত্নে পড়ে আছে। বর্তমানে এটি কাদামাটির নিচে চাপা পড়ে অচল অবস্থায়, ফলে চরাঞ্চলের দরিদ্র মানুষরা জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একই সঙ্গে সরকারের জন্য প্রায় অর্ধকোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ২০১৮ সালে আগের সরকারের সময় চরের মানুষদের দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে প্রায় অর্ধকোটি টাকার এই নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হলেও তারপর থেকে এটি ব্যবহার হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে থানার পাশে বেতুয়ার খালে ফেলে রাখা হয়েছে। এখন এটি কাদা ও মাটির নিচে চাপা পড়ে ব্যবহারযোগ্য নয়। চরের এক বৃদ্ধ ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা গরিব, চরে থাকি—তাই চিকিৎসা পাই না। শুনেছি সরকার নৌ অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে, কিন্তু কখনো দেখিনি। অসুস্থ হলে এখানেই মরতে হয়।’ গৃহবধূ জান্নাত জানান, ‘চরে থাকায় কেউ খোঁজ নেয় না। শুনেছি গরিবের জন্য সরকার অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে, কিন্তু কাজে কখনো আসে নি।’ সাবেক ইউপি সদস্য আবু তাহের বলেন, ‘চরে চিকিৎসার কোনো ব্যবস্থা নেই। একবার হাসপাতালে গিয়েছিলাম, নৌ অ্যাম্বুলেন্সের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলল, “খুঁজে নেন।”’ বেতুয়ার খালের জেলেরা জানান, ‘নৌ অ্যাম্বুলেন্সটি নতুন আনার পর রোগী আনতে কখনো দেখিনি। এখন এটি খালের মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে।’ দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আনিসুর রহমান বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সটি এক সময় সচল ছিল, তবে পরে ওপি বন্ধ থাকায় ব্যবহার বন্ধ হয়ে যায়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, খুব শিগগিরই এটি সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’