শিরোনাম
বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগনেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেআজকে স্বর্ণের বাজারদরট্রাফিক সপ্তাহ এলেও সিলেটে কমছে না যানজটআদ্-দ্বীনের অন্যান্য শাখা চালু থাকবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীঅপবাদ, বৈষম্য ও প্রত্যাবর্তনের গল্প ওসি জসিম উদ্দিনকে ঘিরে এক পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার সংগ্রাম এবং পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত-বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটনবম পে-স্কেল: চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি, বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের আভাসতিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফসিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুসহ ৭০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৭

― Advertisement ―

বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন জন্মনিবন্ধন রেকর্ড বাধ্যতামূলক করতে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে...

“চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Homeসম্পাদকীয়"চট্টগ্রামের নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ

পাহাড়কাটা, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অনিয়ম প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান

চট্টগ্রাম, বুধবার (২২ অক্টোবর): চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আজ বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য বৈঠক। বৈঠকে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম রাজু’র নেতৃত্বে আগত প্রতিনিধি দল। সভায় উপস্থিত ছিলেন—আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের এশিয়া রিজিওনাল ডিরেক্টর গোলাম সারোয়ার খান, বাংলাদেশ কো-অর্ডিনেটর ও খ্যাতনামা সাংবাদিক-লেখক মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, লায়ন আসিফ আহমেদ মৃধা, সাংবাদিক আলী আক্কাস, সাংবাদিক কুতুব উদ্দিন, সাংবাদিক জাকির উল্লাহ, সমাজসেবক আব্দুল গফুর, এবং মানবাধিকারকর্মী মনিকা আক্তারসহ অন্যান্যরা। প্রথমে কমিশনের পক্ষ থেকে নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়ন, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও মানবাধিকার রক্ষায় কমিশনের সহযোগিতা কামনা করেন। মানবাধিকার রক্ষায় প্রশাসনের ভূমিকা আরও জোরদার করার আহ্বান  আলোচনায় চেয়ারম্যান এম এ হাশেম রাজু বলেন, “চট্টগ্রাম একটি সংবেদনশীল অঞ্চল—এখানে পাহাড়কাটা, ভূমি দখল, জলাবদ্ধতা এবং পরিবেশ ধ্বংসের মতো ঘটনা এখনো ঘটে চলেছে। প্রশাসন যদি সচেতন ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়, তবে এই শহর আরও বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। আমরা চাই মানবাধিকার যেন কোথাও লঙ্ঘিত না হয়। নাগরিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষায় জেলা প্রশাসনকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রশাসন ও জনগণ একসঙ্গে কাজ করলে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন সম্ভব।” প্রশাসনের আন্তরিক প্রতিশ্রুতি বৈঠকে জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমি সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। চট্টগ্রামের মানুষ, পাহাড়, নদী ও পরিবেশের সঙ্গে আমার অঙ্গীকার রয়েছে। এখানে পাহাড়কাটা, অবৈধ দখল ও পরিবেশ ধ্বংসের মতো কোনো কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। ধাপে ধাপে সব সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করবো। আপনাদের সঙ্গে আরও বিস্তারিত বৈঠক আয়োজন করে আমরা যৌথভাবে কিছু বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা নিতে পারি।” পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বৈঠকটি ছিল সংক্ষিপ্ত হলেও অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও তাৎপর্যপূর্ণ। উভয় পক্ষই চট্টগ্রামের পরিবেশ, প্রশাসনিক কার্যক্রম ও মানবাধিকারের সমন্বিত উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। বৈঠকের শেষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে প্রদান করা হয় এবং সৌজন্যমূলক আলাপচারিতায় চট্টগ্রামের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলামের আন্তরিকতা ও মানবিক মনোভাবের প্রশংসা করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন—তার নেতৃত্বে চট্টগ্রামে মানবাধিকারের সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা আরও শক্তিশালী ভিত্তি পাবে।

প্রতিবেদক: সাদা কালো মাল্টিমিডিয়া নিউজ হাউজ, চট্টগ্রাম