শিরোনাম
নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেআজকে স্বর্ণের বাজারদরট্রাফিক সপ্তাহ এলেও সিলেটে কমছে না যানজটআদ্-দ্বীনের অন্যান্য শাখা চালু থাকবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীঅপবাদ, বৈষম্য ও প্রত্যাবর্তনের গল্প ওসি জসিম উদ্দিনকে ঘিরে এক পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার সংগ্রাম এবং পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত-বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটনবম পে-স্কেল: চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি, বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের আভাসতিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফসিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুসহ ৭০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৭নাম বদলে কালো টাকা হচ্ছে ‘মূলধনি আয়’

― Advertisement ―

নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

নেশার টাকার জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহসভাপতি মাইদুল ইসলাম বাপ্পির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়...

চট্টগ্রামে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ–চাঁদাবাজি

Homeচট্টগ্রামচট্টগ্রামে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ–চাঁদাবাজি

চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরে সাংবাদিক পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ ও জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের ঘটনায় সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে হালিশহর থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ ৫৩ হাজার টাকা ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, গত ৮ অক্টোবর বিকেলে জমি বিক্রয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবসায়ী রিদওয়ান সরকারকে ডেকে নেয় প্রতারক চক্রটি। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে অপহরণ করে জিম্মি করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ ১৩ লাখ টাকা এবং ই–ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আরও ১২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় তারা। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে হালিশহর থানা পুলিশ একাধিক অভিযান পরিচালনা করে। প্রথম দফায় প্রতারক চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২১ নভেম্বর দিবাগত রাতে চক্রনেতা ও ভুয়া সাংবাদিক কামরুল হাসানকেও আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। হালিশহর থানার অপারেশন অফিসার মোশারফ হোসাইন বলেন, “অভিযুক্ত কামরুল হাসান দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তার বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন, চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনসহ পাঁচটি মামলা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানায়, প্রতারক চক্রটি কখনও সাংবাদিক, আবার কখনও রিয়েল–এস্টেট ব্যবসায়ী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ফাঁদে ফেলত। সুযোগ বুঝে ভয়ভীতি দেখানো ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রুজু করা হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটির পেছনে আরও কেউ জড়িত আছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।