
বিপিএল আসন্ন, তাই অংশগ্রহণকারী পাঁচ দল ইতোমধ্যেই নিজেদের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এবারের আসরে অনেক দলের মালিকানা পরিবর্তিত হয়েছে। গতবার চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা ছিল এস কিউ স্পোর্টস এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের হাতে। তবে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক না দেওয়া ও বিসিবিকে বকেয়া পরিশোধ না করার কারণে তারা আগামী পাঁচ বছরের জন্য মালিকানা হারিয়েছে। এর পরিবর্তে পাঁচ বছরের জন্য চট্টগ্রামের মালিকানায় এসেছে ট্রায়াঙ্গেল সার্ভিসেস লিমিটেড। মালিকানা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দল গঠনের কাজে নেমেছে চট্টগ্রাম। গণমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তারা জাতীয় দলের দুই ক্রিকেটার দলে ভেড়িয়েছে। বিপিএলের সর্বশেষ আসরে রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে খেলা শেখ মাহেদী চট্টগ্রামে যোগ দিয়েছেন। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে বল হাতে তিনি খুবই কার্যকরী, বিশেষ করে পাওয়ার প্লেতে বল করার তার দক্ষতা চোখে পড়ার মতো। মাহেদী বিগত তিন আসরে রংপুরের হয়ে খেললেও তার বিপিএল ক্যারিয়ার পাঁচটি দলের সঙ্গে যুক্ত। ৮৮ ম্যাচে তিনি ৭৩ উইকেট অর্জন করেছেন। ব্যাট হাতে ৯১৫ রান সংগ্রহের পাশাপাশি কার্যকরী ইনিংস খেলারও ক্ষমতা তার আছে। মাহেদীর সঙ্গে চট্টগ্রাম রয়্যালস দলে আনা হয়েছে স্পিনার তানভীর ইসলামকেও। যদিও তার জাতীয় দলের ক্যারিয়ার ছোট, ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি অন্যতম সফল ক্রিকেটার। এছাড়া একাধিক বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে চট্টগ্রামের আলোচনা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। উল্লেখ্য, বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সভার পর পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা চূড়ান্ত করেছে বিসিবি। রংপুর রাইডার্সের মালিকানা পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের টগি স্পোর্টস, চট্টগ্রাম পেয়েছে ট্রায়াঙ্গেল সার্ভিসেস, রাজশাহীর মালিকানা এসেছে নাবিল গ্রুপের হাতে, সিলেটের মালিকানা পেয়েছে ক্রিকেট উইথ সামি এবং ঢাকার মালিকানা চ্যাম্পিয়ন স্পোর্টস (রিমার্ক-হারল্যান)-এর হাতে।

