শিরোনাম
তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়

― Advertisement ―

তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে মানবিক সংগঠন হিউম্যানিজম প্রায়োরিটি ফাউন্ডেশন।...

বাজারে ঘুরে বেড়ায় বিশালাকৃতির ২ শতাধিক গুইসাপ

Homeআন্তর্জাতিকবাজারে ঘুরে বেড়ায় বিশালাকৃতির ২ শতাধিক গুইসাপ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদরের বাজারসংলগ্ন একটি জলাশয়ের তীরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিলুপ্তপ্রায় বিশালাকৃতির গুইসাপ। প্রায় ৪০ থেকে ৮০ কেজি ওজনের দুই শতাধিক গুইসাপ এখন এ এলাকাতেই বসবাস করছে, যা ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে বাজারের পরিচিত দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের পাশের খালের তীরজুড়ে দলবদ্ধভাবে দিনভর বিচরণ করছে এসব গুইসাপ। বাজারের দোকান থেকে ফেলে দেওয়া পচা মাছ, মৃত মুরগি, এমনকি জবাইকৃত গরুর হাড়-ভুঁড়িই তাদের প্রধান খাদ্য। ব্যবসায়ীরা জানান, গুইসাপগুলো মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। বরং বাজারের আবর্জনা পরিষ্কারে তারা ভূমিকা রাখে। এ কারণে এখন আর কেউ তাদের তাড়িয়ে দেয় না, বরং নিরাপদে থাকতে দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কখনো কখনো এসব গুইসাপ আশপাশের বাড়ির উঠানেও চলে আসে। তবে এগুলো নিরীহ হওয়ায় মানুষ তেমন আতঙ্কিত হয় না; বরং তাদের উপস্থিতিকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে এলাকাবাসী। সদরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সব্যসাচী মজুমদার বলেন, গুইসাপ বিষাক্ত নয় এবং সাধারণত মানুষের জন্য ক্ষতিকরও না। তবে শরীরে ব্যাকটেরিয়া থাকায় কামড় বা লেজের আঘাতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। পরিবেশবিদদের মতে, এ ধরনের প্রাণীর উপস্থিতি একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রের লক্ষণ। তাই গুইসাপের আবাসস্থল সংরক্ষণ ও তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।