শিরোনাম
ভারতের হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় আফগান পেসারবিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি: র‍্যাবের জালে মূলহোতা তোফাজ্জলসহ গ্রেফতার ২বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব নয় : ইরানবাজারে ঘুরে বেড়ায় বিশালাকৃতির ২ শতাধিক গুইসাপভূমি ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্টদের সেবকের ভূমিকা পালন করতে হবে : ভূমি প্রতিমন্ত্রীসৌদিতে অবস্থানরত রোহিঙ্গারা ‘শর্তে’ দ্রুত বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাবেএসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই: শিক্ষামন্ত্রীচট্রগ্রাম অভিভাবক ফোরামের ঈদ পুনর্মিলন ও নতুন কার্যকরী কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানহাম ও উপসর্গে দেশে আরও ৩ শিশুর মৃত্যুবৃহত্তর লাকসাম সিএন্ডএফ ঐক্য পরিষদের ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ এর ফাইনাল অনুষ্ঠিত

― Advertisement ―

ভারতের হাসপাতালে মৃত্যুশয্যায় আফগান পেসার

ভারতের দিল্লির একটি হাসপাতালের আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আফগানিস্তান ক্রিকেটের উত্থানের অন্যতম কারিগর ও সাবেক গতি তারকা শাপুর জাদরান। ৩৮ বছর বয়সী এই...

বাজারে ঘুরে বেড়ায় বিশালাকৃতির ২ শতাধিক গুইসাপ

Homeআন্তর্জাতিকবাজারে ঘুরে বেড়ায় বিশালাকৃতির ২ শতাধিক গুইসাপ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদরের বাজারসংলগ্ন একটি জলাশয়ের তীরে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে বিলুপ্তপ্রায় বিশালাকৃতির গুইসাপ। প্রায় ৪০ থেকে ৮০ কেজি ওজনের দুই শতাধিক গুইসাপ এখন এ এলাকাতেই বসবাস করছে, যা ধীরে ধীরে স্থানীয়দের কাছে বাজারের পরিচিত দৃশ্যে পরিণত হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারের পাশের খালের তীরজুড়ে দলবদ্ধভাবে দিনভর বিচরণ করছে এসব গুইসাপ। বাজারের দোকান থেকে ফেলে দেওয়া পচা মাছ, মৃত মুরগি, এমনকি জবাইকৃত গরুর হাড়-ভুঁড়িই তাদের প্রধান খাদ্য। ব্যবসায়ীরা জানান, গুইসাপগুলো মানুষের কোনো ক্ষতি করে না। বরং বাজারের আবর্জনা পরিষ্কারে তারা ভূমিকা রাখে। এ কারণে এখন আর কেউ তাদের তাড়িয়ে দেয় না, বরং নিরাপদে থাকতে দিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কখনো কখনো এসব গুইসাপ আশপাশের বাড়ির উঠানেও চলে আসে। তবে এগুলো নিরীহ হওয়ায় মানুষ তেমন আতঙ্কিত হয় না; বরং তাদের উপস্থিতিকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে এলাকাবাসী। সদরপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সব্যসাচী মজুমদার বলেন, গুইসাপ বিষাক্ত নয় এবং সাধারণত মানুষের জন্য ক্ষতিকরও না। তবে শরীরে ব্যাকটেরিয়া থাকায় কামড় বা লেজের আঘাতে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকতে পারে। পরিবেশবিদদের মতে, এ ধরনের প্রাণীর উপস্থিতি একটি সুস্থ বাস্তুতন্ত্রের লক্ষণ। তাই গুইসাপের আবাসস্থল সংরক্ষণ ও তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি।