শিরোনাম
তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ: ইতিহাস, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বাংলাদেশের নতুন বাস্তবতাতোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়

― Advertisement ―

তিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের সৌজন্যে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ফল উৎসব ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: এতিম ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং পুষ্টির চাহিদা পূরণে ব্যতিক্রমী এক ফল উৎসবের আয়োজন করেছে মানবিক সংগঠন হিউম্যানিজম প্রায়োরিটি ফাউন্ডেশন।...

বিদ্যালয়ে নেই পানির ব্যবস্থা, নেই মাঠ

Homeআন্তর্জাতিকবিদ্যালয়ে নেই পানির ব্যবস্থা, নেই মাঠ

শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের গঙ্গেশকাটি এলাকার ৬৯নং মহিউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি নানা সমস্যায় জর্জরিত। দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, খেলার মাঠ, ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবে ব্যাপক ভোগান্তিতে রয়েছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। ১৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) সরেজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নেই কোনো গভীর নলকূপ বা বিশুদ্ধ পানির উৎস। শিক্ষার্থীদের দূর থেকে পানি এনে খেতে হয়। নেই একটি খেলার মাঠও। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের বারান্দায় ছোটাছুটি ও খেলাধুলায় সীমাবদ্ধ। বর্ষা মৌসুমে বিদ্যালয়ের চারপাশ প্লাবিত হয়ে পড়ে, যাতায়াতের পথ হাঁটু পানি ডুবে থাকে। এতে শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া-আসা চরম দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। ঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলে, অনেক সময় পানি পিপাসা পেলেও পানি খেতে পারি না, টিউবওয়েল নেই। অনেক দূর থেকে পানি আনতে হয়। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী হাসিবা জানায়, বর্ষার ছয় মাস স্কুলের চারপাশ ডুবে থাকে। হাঁটু পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়। অনেকেই আসতে পারে না। তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ফাতেমা বলে, রাস্তার পানি ভেদ করে স্কুলে যেতে গিয়ে বই-খাতা ভিজে যায়। তখন আর স্কুলে যাওয়া হয় না। বিদ্যালয়ের যাতায়াত পথে প্লাবনের কারণে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, টিউবওয়েলের জন্য উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেছি, কিন্তু কোনো সাড়া পাইনি। সহকারী শিক্ষক অনুপম জানান, স্থানীয়ভাবে একটি সেলো কল বসানো হলেও তা আয়রনযুক্ত হওয়ায় সেই পানি খাওয়ার উপযোগী নয়।” এক অভিভাবক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমার সন্তান মাঝে মাঝে স্কুল থেকে পানি খেতে আমাদের বাড়িতে আসে। বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকটও রয়েছে, এতে পড়াশোনার মান দিনদিন খারাপ হচ্ছে। ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, “আমার কোনো বরাদ্দ নেই। বরাদ্দ থাকলে টিউবওয়েলের ব্যবস্থা করে দিতাম। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিন বলেন, আমি মাত্র চার দিন আগে জয়েন করেছি, এখনো সবকিছু অবগত না। তবে লিখিত আবেদন পেলে আমি ব্যবস্থা নেব। আমার এখতিয়ারে থাকলে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করব।