

স্থানীয় সরকার নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় ভোটার এলাকা স্থানান্তরের কার্যক্রম আবারও চালু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ফলে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটাররা আগের নিয়মে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয়ে আবেদন করে ভোটার এলাকা স্থানান্তর করতে পারবেন। একই সঙ্গে অনলাইন সেবাও পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনায় গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল ইসি। তবে নির্বাচন পিছিয়ে যাওয়ায় আবারও এ কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত চিঠি দেশের সব উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের আবেদন আগের নিয়মে গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং নিষ্পত্তি করতে হবে। একই সঙ্গে প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ ও ইস্যুর কার্যক্রমও সম্পন্ন করতে হবে। যেভাবে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করবেন ১. সরাসরি আবেদন ভোটাররা উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিস এবং রেজিস্ট্রেশন অফিসারের কার্যালয়ে গিয়ে নির্ধারিত ফরমে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। ২. অনলাইনে আবেদন জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের সিস্টেম ম্যানেজারকে ভোটার স্থানান্তরের অনলাইন লিংক সচল করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। অনলাইন সেবা চালু হলে ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও আবেদন করা যাবে। ৩. যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি আবেদন জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কার্যালয় তথ্য যাচাই-বাছাই করবে। যাচাই শেষে স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য হালনাগাদ করা হবে। ভোটার স্থানান্তরের পুরো কার্যক্রম সঠিকভাবে তদারক করতে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সিনিয়র জেলা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রবাসীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোটাধিকার নিশ্চিত করে তফসিল ঘোষণার দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে স্মারকলিপি দিয়েছে লেবার পার্টি।