চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন নীরব থাকা আন্ডারওয়ার্ল্ডের গ্যাং আবার সক্রিয় হয়েছে। নগরজুড়ে ছয়জন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী—বড় সাজ্জাদ, ছোট সাজ্জাদ, রায়হান আলম, মোবারক হোসেন ইমন, শহিদুল ইসলাম বুইস্যা ও ইসমাইল হোসেন টেম্পু—খুন, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছেন। গত ১৩ মাসে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও সন্ত্রাসী সংঘর্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছে। বিশেষ করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ১০ জনের মৃত্যু ঘটেছে। নির্বাচনী প্রচারে বিএনপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহও গুলিবিদ্ধ হন, আর শীর্ষ সন্ত্রাসী সরোয়ার বাবলার ওপর হামলা হয়। পুলিশ জানাচ্ছে, বিদেশে থাকা বড় সাজ্জাদের ‘কিলিং স্কোয়াড’ প্রধান রায়হান নগরের বিভিন্ন অপরাধের দায়িত্বে রয়েছে। গত বছরের ৫ আগস্ট লুট হওয়া ৯৪৫টি অস্ত্রের মধ্যে ৭৮০টি উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিগুলো এখনও অপরাধে ব্যবহৃত হতে পারে। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজ বলেন, আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, বেশ কয়েকজন অস্ত্রধারী গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রাম জেলার সাধারণ সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলেন, নির্বাচন আসলেই সন্ত্রাসীদের প্রভাব বাড়ে, যা সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় নেতাদের জন্য উদ্বেগের কারণ। র্যাব ইতিমধ্যেই হত্যাকাণ্ড এবং নির্বাচনী গোলাগুলির ঘটনায় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে, কিন্তু নাগরিকরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছে।