রান্না অনেকের কাছে দায়িত্ব, কারও কাছে বিপদের সময়কার সমাধান, আবার কারও কাছে একেবারে শখের ব্যাপার। তবে যাই হোক না কেন, রান্না করতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই এমন কিছু ছোট ভুল হয় যেগুলোই স্বাদের বারোটা বাজিয়ে দেয়। তোপ বেশি দিলে রান্না নয়, বরং খাবারটাই পুড়ে যেতে পারে অনেকেই রান্না তাড়াতাড়ি শেষ করতে চুলার আগুন বাড়িয়ে দেন। এটা ঠিক নয়। কিছু রান্না ধীরে ধীরে করতে হয়, তবেই খাবারের আসল স্বাদ আসে। পেঁয়াজ-রসুন একসঙ্গে দেবেন না পেঁয়াজ রান্না হতে সময় লাগে প্রায় ৮ মিনিট, আর রসুন মাত্র ৩০ সেকেন্ডেই সিদ্ধ হয়ে যায়। একসঙ্গে দিলে রসুন পুড়ে যায় এবং খাবারে পোড়া গন্ধ চলে আসে। কাঁকড়া ভাজতে আলসেমি নয় ফ্রাই করার সময় কাঁকড়াকে চিমটা দিয়ে অন্তত ৫ বার উল্টাতে হবে, যাতে ভেতরের দিকেও ভালোভাবে গরম লাগে। শরবতে লবণ নয়, ব্যবহার করুন লেবু বা ভিনেগার বারবার লবণ দিলে শরবতের স্বাদ নষ্ট হয়ে যায়। তার বদলে লেবুর রস বা সামান্য ভিনেগার মেশান—টকভাব কমবে আর শরবতের ঘ্রাণও হবে ভালো। মচমচে আলুর টিপস আলু আগে গোল করে কেটে ৫–১০ মিনিট লবণ পানিতে সিদ্ধ করুন। তারপর মসলা দিয়ে ভাজুন। এতে বাইরের দিকটা হবে ক্রিস্পি, আর ভেতরে থাকবে নরম ও সেদ্ধ। ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন কাটাকুটি করতে গেলে সবজি বা মাংস যেন ছিন্নভিন্ন না হয়, সেজন্য সবসময় ধারালো ছুরি ব্যবহার করুন। স্টেক রান্নায় ধৈর্য ধরুন স্টেক বারবার উল্টে দিলে সেদ্ধ হবে না বরং শক্ত হয়ে যাবে। আগেভাগে জেনে নিন কী তাপমাত্রায় স্টেক ভালোভাবে রাঁধা যায়। চপিং বোর্ড ভালোভাবে পরিষ্কার করুন কাঁচা মাংস কাটার পর বোর্ড ও ছুরি শুধু সাবান দিয়ে ধুলে হবে না। গরম পানি ও ব্লিচ দিয়ে ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ব্যবহৃত স্পঞ্জ বা ব্রাশ অন্য জিনিসে ব্যবহার করবেন না। ডিম ফাটাতে পাতলা ছুরি নয় পাতলা ছুরি দিয়ে ডিম ফাটালে কুসুম ভেঙে যেতে পারে। বরং মোটা মুখের ছোট চাকু বা চামচ ব্যবহার করলে ডিম ভাঙা সহজ হবে আর কুসুমও অক্ষত থাকবে।রান্না কঠিন কাজ নয়। বরং কিছু সাধারণ বিষয় খেয়াল রাখলেই রান্না হবে সহজ, ঝামেলামুক্ত আর অবশ্যই সুস্বাদু!