শিরোনাম
“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার নতুন দিগন্ত কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের উষ্ণ স্বাগত ও শুভেচ্ছা বার্তা-মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতিনেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশরাউজানে আন্তঃ এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধনঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার স্বপ্নে এক প্রবাসীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা | বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খানের মুখোমুখি-দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছেডিফেন্ডারের জায়গায় মিডফিল্ডার নিয়ে বড় চমক আনচেলত্তিরসিংগাইরে ডাকাতির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যুসীমান্তের ১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা

― Advertisement ―

“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-

-মো. কামাল উদ্দিনঃ জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় দায়িত্বের সূত্রে, কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় পেশার কারণে, আর কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয়...

শক্তি চট্টোপাধ্যায়: আধুনিক বাংলা কবিতার অমর প্রতিভা

Homeআন্তর্জাতিকশক্তি চট্টোপাধ্যায়: আধুনিক বাংলা কবিতার অমর প্রতিভা

শক্তি চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা কবিতার এক উজ্জ্বল আলো, বিশেষ করে বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে যিনি নিজের স্বকীয় ভাষা, ছন্দ ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে পাঠকদের মুগ্ধ করেছিলেন। ১৯৩৩ সালের ২৫ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার বাহারু গ্রামে তার জন্ম। বাবা বামানাথ চট্টোপাধ্যায় ও মা কমলা দেবীর সন্তান শক্তি মাত্র চার বছর বয়সেই বাবাকে হারান। ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিক পাস করলেও দারিদ্র্যের কারণে উচ্চশিক্ষা অসমাপ্ত থাকে। সে সময় তিনি কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়ায় যোগ দেন। জীবিকা নির্বাহের জন্য লেখালেখিকে বেছে নেন এবং উপন্যাস দিয়ে শুরু করেন তাঁর সাহিত্যযাত্রা। প্রথম উপন্যাসের নাম ‘কুয়োতলা’। কবিতাকে তিনি ভালোবেসে বলতেন “পদ্য” এবং ‘স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার’ ছদ্মনামেও লিখতেন। আধুনিক বাংলা কবিতায় তাঁর অবদান এতটাই গভীর যে অনেকেই তাকে জীবনানন্দ দাশের শেষ উত্তরসূরি হিসেবে বিবেচনা করেন। তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ ‘যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো’ বাংলা কবিতার ইতিহাসে এক স্থায়ী চিহ্ন রেখে গেছে। ১৯৬১ সালের নভেম্বরে হাংরি আন্দোলনের চারজন অগ্রদূতের একজন হিসেবেও তিনি পরিচিত। বাংলা সাহিত্যে স্থিতাবস্থা ভাঙার লক্ষ্যে প্রকাশিত শিল্প-সাহিত্যের একমাত্র ইশতেহারমূলক আন্দোলন ছিল এই হাংরি আন্দোলন। সাহিত্যজগতে তাঁর অবদান স্বীকৃত হয়েছে আনন্দ পুরস্কার ও সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মানে। ১৯৯৫ সালের ২৩ মার্চ কলকাতায় প্রয়াত হন শক্তি চট্টোপাধ্যায়, রেখে যান এক অনন্ত কবিমন ও আধুনিকতার স্বাক্ষর।