শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

শীতের রাতে মাহফুজ রহমানের নীরব মানবিকতা—ঘুমন্ত মানুষের গায়ে উষ্ণতার চাদর-

Homeচট্টগ্রামশীতের রাতে মাহফুজ রহমানের নীরব মানবিকতা—ঘুমন্ত মানুষের গায়ে উষ্ণতার চাদর-

শীত নামলেই নগরীর আলোঝলমলে ব্যস্ততা আর ফুটপাতের নিঃসঙ্গতার ফারাক আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আরামদায়ক ঘরের ভেতর আমাদের নিশ্চিন্ত ঘুমের ঠিক পাশেই, খোলা আকাশের নিচে কাঁপতে কাঁপতে রাত কাটায় অসংখ্য মানুষ। সেই অবহেলিত, নীরব কষ্টে থাকা মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর এক মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে আলহাজ্ব মাহফুজুর রহমান ফাউন্ডেশন।
আসিফ ওয়ার্ল্ড ট্রেডিং কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং রেলওয়ে মেনস সিটি সেন্টার (৩য় তলা), স্টেশন রোড, ফলমন্ডি, চট্টগ্রাম থেকে পরিচালিত এই শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি ছিল নিছক কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়। এর পেছনে ছিল মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা ও গভীর মানবিক অনুভব। এই উদ্যোগের অগ্রভাগে ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন তাঁর একমাত্র সন্তান, একজন ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আসিফ রহমান, যিনি বাবার হাত ধরেই মানবিকতার পাঠ শিখছেন বাস্তব জীবনে। লেখক ও সাংবাদিক মো. কামাল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে গতরাতে চট্টগ্রাম নগরীর মোমিন রোড, কাজীর দেউড়ি, স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকায় খোলা আকাশের নিচে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। নারী, শিশু ও বৃদ্ধ—সবাই এই মানবিক উদ্যোগের উষ্ণতা অনুভব করেন। অনেকেই বুঝে ওঠার আগেই তাঁদের শরীরে জড়িয়ে দেওয়া হয় কম্বল, যেন শীতের সঙ্গে তাঁদের লড়াইটা একটু সহজ হয়। মানবিকতার এই যাত্রা রাতেই শেষ হয়নি। আজ ভোরে নামাজের পর মাহফুজুর রহমান ও তাঁর সন্তান আবারও বেরিয়ে পড়েন নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। শীতবস্ত্রহীন ঘুমন্ত মানুষদের গায়ে তাঁদের অজান্তেই পুনরায় কম্বল জড়িয়ে দেওয়া হয়। কোনো ঘোষণা নেই, কোনো মাইকিং নেই, নেই প্রচারের তাগিদ। ছিল শুধু মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখার এক নীরব প্রয়াস। মাহফুজুর রহমান বলেন, এই উদ্যোগ লোক দেখানোর জন্য নয়, প্রচারের জন্যও নয়। তাঁর কাছে এটি মানবিক দায়িত্ব। তাঁর বিশ্বাস, মানবিকতার খবর ছড়িয়ে পড়ুক যাতে সমাজে মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সাহস পায়। এমন উদ্যোগে সবাই এগিয়ে এলে শীতার্ত মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। এই আয়োজন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানবিকতা কোনো বড় শব্দ নয়—এটি ছোট ছোট কাজের সমষ্টি। একটি কম্বল, একটি নিঃশব্দ উপস্থিতি, একটি উষ্ণ স্পর্শ এসবই পারে শীতের রাতে মানুষের মনে ভরসার আলো জ্বালাতে। আসুন, আমরা সবাই আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াই। কারণ উষ্ণ সমাজ গড়ে ওঠে মানবিক হাত বাড়ানোর মধ্য