বাঁশখালী প্রতিনিধি: সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের বাঁশ খালী সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় ইংরেজি দৈনিক ‘টুরিস্ট’ পত্রিকার প্রতিনিধি ও অনলাইন সেবা ‘জাগো বাঁশখালী’ এর পরিচালক সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক অভিযোগ করেছেন, সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে তার নামে মিথ্যা সংবাদ, অপবাদ এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়িয়ে দিচ্ছে কিছু কুচক্রী মহল। তিনি জানিয়েছেন, এই মিথ্যা অপপ্রচার তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে গভীর ক্ষতি ঘটাচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানার আওতায় চাঁদপুর বাজারে অবস্থানরত সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক দীর্ঘদিন ধরে সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে আসছেন। সমাজে অরাজকতা, মানবিক অবক্ষয় ও অনৈতিক কার্যকলাপ রোধে তিনি জনগণকে সচেতন করার কাজ করছেন।
কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে অনৈতিক কিছু মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়াচ্ছে। তিনি জানান, কিছু ব্যক্তি তার অফিসের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে এবং তার ওপর হামলার ইঙ্গিত দিচ্ছে। সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে ছড়ানো মিথ্যা সংবাদ ও অপপ্রচার তার পরিবারের সদস্যদেরও মানসিকভাবে প্রভাবিত করছে। এতে তার পারিবারিক ও সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ণ হচ্ছে এবং পেশাগত খ্যাতি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। জিডি না নেওয়া ও প্রশাসনের উদাসীনতা অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিক বাঁশখালী থানায় সাধারণ ডায়েরি (G.D.) করার চেষ্টা করেন। কিন্তু স্থানীয় ওসি কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান। এই উদাসীনতার কারণে সাংবাদিক আবু ছিদ্দিক গভীরভাবে ব্যথিত এবং আতঙ্কিত। তিনি বলেন, "আমি শুধু আইন অনুযায়ী নিজের অধিকার প্রয়োগ করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রশাসনের উদাসীনতার কারণে আমার জীবন, পেশাগত সম্মান এবং সুনাম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।" সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের তীব্র প্রতিবাদ সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদ (JDC) বাঁশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটি, বিভাগীয় কমিটি, নগর কমিটি ও প্রতিটি জেলা ও থানা কমিটি একযোগে সাংবাদিক আবু ছিদ্দিকের পাশে দাঁড়িয়েছে। তারা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং প্রশাসনের কাছে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।
বাঁশখালী শাখার সাধারণ সম্পাদক জানান, "সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের বিরুদ্ধে সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে চালানো মিথ্যা অপপ্রচার, হয়রানি এবং হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন যদি দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা না নেয়, তবে আমরা জোরালো কর্মসূচী ঘোষণা করব। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সুপার ও ডিআইজি-কে সরাসরি হস্তক্ষেপ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।" সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি আরও জানিয়েছে, "এ ধরনের মিথ্যা অপপ্রচার সাংবাদিকতার স্বাধীনতা সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। আমরা প্রশাসনকে সতর্ক করছি, যাতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচীর মাধ্যমে এর জবাব দেওয়া হবে।" অভিযোগ ও প্রভাব সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের অভিযোগ অনুযায়ী, কিছু অসৎ ব্যক্তি সামাজিক ও অনলাইন মাধ্যমে তার নাম ব্যবহার করে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচার করছে। এতে তার অফিস, প্রতিষ্ঠান ‘জাগো বাঁশখালী’ এবং ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডের ওপরও ভিত্তিহীন সন্দেহ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, "এই অপপ্রচার কেবল আমার ব্যক্তিগত জীবন নয়, বরং সাংবাদিকতার স্বাধীনতা এবং সমাজ সচেতনতার দায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। আমি দীর্ঘদিন ধরে সত্যের পথে কাজ করেছি, কিন্তু সম্প্রতি চালানো এই মিথ্যা অপপ্রচার আমার সুনাম ও পেশাগত পরিচয়কে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে।" বিশেষ মন্তব্য মানবাধিকার ও সাংবাদিক নিরাপত্তা বিষয়ক সংগঠনগুলো সাধারণত এ ধরনের ঘটনা নজরদারি করে থাকে এবং সরকারকে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানায়। সাংবাদিক মোহাম্মদ আবু ছিদ্দিকের অভিযোগ প্রমাণ করে যে, সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন করার পথে কিছু অসৎ মহল সবসময় বাধা সৃষ্টি করে। সাংবাদিক উন্নয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তবে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও সাংবাদিকতার স্বাধীনতা রক্ষার জন্য জোরালো কর্মসূচী নেওয়া হবে। এটি শুধু এক ব্যক্তির সুরক্ষা নয়, বরং সাংবাদিক সমাজের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।