শিরোনাম
চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নে নাগরিক ফোরাম কাজ করে যাবে-চট্টগ্রামে লায়ন সাইফুল ইসলাম ও লায়ন জাহাঙ্গীর আলমের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিতবাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে এক দূরদর্শী নেতৃত্ব: বিপিসি চেয়ারম্যান মো. শামীমুজ্জামানের নেতৃত্বে অগ্রযাত্রার প্রেরণাটুঙ্গিপাড়ায় গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে নির্মিত তোরণে আগুনচট্টগ্রামে দলীয় ক্লাব ভাঙচুর নিয়ে নতুন বিতর্ক ‘বাদী পক্ষকে হয়রানি করতেই পরিকল্পিত নাটক’—অভিযোগ স্থানীয়দেরজরুরি নিখোঁজ সংবাদ: ১২ বছরের শিশু মোহাম্মদ তামিমকে খুঁজে পেতে সবার সহযোগিতা কামনাএলএনজি সরবরাহ কমায় দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটবাংলাদেশে তৈরি হোন্ডা এনএক্স২০০ যাচ্ছে মেক্সিকোতেবর্ষার শেষদিকেও নৌকা তৈরির ব্যস্ততাপুরো আগস্টের আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল বিডব্লিউওটি

― Advertisement ―

চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা চট্টগ্রামের পরিকল্পিত উন্নয়নে নাগরিক ফোরাম কাজ করে যাবে-

চট্টগ্রাম, ২ আগস্ট ২০২৬: চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভা আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন আন্দোলনের রূপকার...

**সাভারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে অগ্নিসংযোগ**

Homeঢাকা**সাভারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে অগ্নিসংযোগ**

ঢাকার সাভারে পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে দুর্বৃত্তরা দুটি বাসে আগুন দিয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজ ফুলবাড়িয়া স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে পার্কিং করে রাখা *ইতিহাস পরিবহন*–এর একটি বাসে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এর ঠিক পাঁচ ঘণ্টা আগে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে, গেন্ডা এলাকার ইউ-টার্নে পার্কিং করা আরেকটি বাসেও একইভাবে আগুন দেওয়া হয়। বাস মালিক ও সাভার ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, রাতে যাত্রী পরিবহন শেষে ইতিহাস পরিবহনের বাসটি তালা দিয়ে স্ট্যান্ডে রেখে বাসায় চলে যান চালক ও সহকারী। পরে রাত প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে আগুনের খবর পেয়ে মালিক ও চালক ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাস মালিক মো. এনামুল হক বলেন, “আমাদের ধারণা দুর্বৃত্তরাই আগুন লাগিয়েছে। এমন একটি পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ছুড়ে দিলে মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত না এলে পুরো বাসটাই পুড়ে যেত।” গেন্ডা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের শিকার আরেক বাসের চালক মো. সেলিম জানান, “গাড়ির সামনে ইঞ্জিন কাভারের ওপর ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পেছনের আগুনের তাপে ঘুম ভেঙে যায়। চিৎকার করে বেরিয়ে এসে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।” সাভার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ইউনিট দিয়েই আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। আগুনে বাসটির ভেতরের অংশ ও আসনগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সাভার হাইওয়ে থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি অগ্নিসংযোগ বলেই মনে হচ্ছে। কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।”