শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

১৫ বছরেই ল্যাম্বরগিনি উরাস পেলেন রোনালদো জুনিয়র: বিলাসিতা ও গাড়িপ্রেমে বাবার পথেই

Homeখেলাধুলা১৫ বছরেই ল্যাম্বরগিনি উরাস পেলেন রোনালদো জুনিয়র: বিলাসিতা ও গাড়িপ্রেমে বাবার পথেই

মাঝে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই নিজের প্রথম ল্যাম্বরগিনি পেলেন রোনালদোর ছেলে। বয়স ছোট হলেও বিলাসিতা ও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা যেন তার রক্তে প্রবাহিত। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়র—বিশ্বফুটবলের কিংবদন্তির পুত্র—ইতিমধ্যেই বাবার মতো গাড়িপ্রেমের জগতে প্রবেশ করেছেন। আর তার প্রথম পদক্ষেপেই বেছে নিয়েছেন এক চমকপ্রদ রত্ন—ল্যাম্বরগিনি উরাস এস (Lamborghini Urus S)। জুনিয়র নিজেই ইনস্টাগ্রামে এই খবর শেয়ার করেছেন। সাদা রঙের নতুন স্পোর্টস এসইউভির সামনে দাঁড়িয়ে তিনি লিখেছেন, “First car”—আমার প্রথম গাড়ি। পোস্টটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গেছে, এবং ভরে গেছে অভিনন্দন ও অবাক মন্তব্যে। তবে মনে হচ্ছে, এই গাড়িটি একেবারে নতুন নয়। ২০২৫ সালের সংস্কারিত মডেলের কিছু বৈশিষ্ট্য এতে নেই, যা ইঙ্গিত দেয়—সম্ভবত এটি বাবার সংগ্রহ থেকে পুত্রের জন্য উপহার হিসেবে এসেছে। সত্যিই যদি তাই হয়, তবে রোনালদো সিনিয়রের গ্যারেজ থেকে এই দামী রত্ন পৌঁছেছে জুনিয়রের হাতে। তিন বছর আগে এই উরাস এসের দাম ছিল প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার ইউরো, অর্থাৎ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে তিন কোটি! গাড়ির ইঞ্জিনও কম নয়—৪.০ লিটার ভি৮ টুইন-টার্বো, যার শক্তি ৬৫০ হর্সপাওয়ার। মাত্র ৩.৫ সেকেন্ডে এটি ০ থেকে ১০০ কিমি/ঘণ্টা গতি পৌঁছাতে পারে, সর্বোচ্চ গতি ৩০৫ কিমি/ঘণ্টা। অবশ্য ১৫ বছরের কারও হাতে চালানোর জন্য এটি এখনও অনেক দ্রুত। সৌদি আরবে আইন অনুযায়ী ১৮ বছর বয়সে পূর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া যায়। ১৭ বছর বয়সে কেবল অস্থায়ী পারমিটে সীমিতভাবে শেখার সুযোগ থাকে, এবং সেটা প্রাপ্তবয়স্ক তত্ত্বাবধানে। অর্থাৎ এখনই হয়তো জুনিয়র নিজের গাড়ি চালাতে পারবেন না, তবে এটি তার বিলাসী রুচি ও বাবার মতো জীবনধারার প্রতিফলন। রোনালদো সিনিয়রের মতোই, যিনি একসময় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে খেলতে খেলতে নিজের প্রথম গাড়ি হিসেবে অডি এস৩ কিনেছিলেন, এখন সেই পথেই তার ছেলে এগোচ্ছেন—তবে আরও বড় আকারে। মাঠে এখনও তার ক্যারিয়ার শুরু হয়নি, কিন্তু জীবনের গতি যেন বাবার মতো—দ্রুত, আড়ম্বরপূর্ণ, আলোচনার কেন্দ্রে। হয়তো ভবিষ্যতে রোনালদো জুনিয়রও মাঠে বল নিয়ে ছুটবেন সেই রफ्तারে, যেমন তার প্রথম গাড়ি রাস্তায় ছুটতে পারে।