শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু

Homeজাতীয়২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে ৭ শিশুর মৃত্যু
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আরও ১ হাজার ৬৩১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, যা চলমান পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৬৩১ জন। আর চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ২৭৯ জনে। এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে ৮ হাজার ২৭৫ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হয়েছে ২০৮ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ হাজার ৪০৭ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪২ হাজার ৩৩৬ জন। মৃত্যুর পরিসংখ্যানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৪ জন এবং নিশ্চিত হাম আক্রান্ত ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে এ সময়ে মোট ৭ শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। এছাড়া ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৪০৫ জন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৮৩ জনের। এর আগে, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। সেদিন হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৫৬৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চের পর থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৭ জন এবং সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৫৭ হাজার ৮৫৬ জনে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৫ হাজার ১২৮ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১ হাজার ১২০ জন।