ঝিনাইদহে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদে চাকরির দায়ে প্রধান শিক্ষককে কারাদণ্ড

0
125

ঝিনাইদহের এক বিচারিক আদালত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার দায়ে প্রধান শিক্ষক রণি আক্তারকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মাসুদ আলী এ রায় ঘোষণা করেন। রণি আক্তার ঝিনাইদহ সদর উপজেলার দুর্গাপুর নারায়নপুর পুটিয়া গ্রামের নরুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় গোয়ালপাড়া অধ্যক্ষ মোশাররফ হোসেন-সালেহা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক। ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাসরিন আক্তার তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ ও জাল সনদে চাকরি করার অভিযোগে মামলা করেন। সাক্ষ্য-প্রমাণের পর আদালত অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় রায় দেন। মামলা পরিচালনা করেন সরকারপক্ষে অ্যাড. এএসএম রাকিবুল হাসান ও আসামি পক্ষ থেকে তারিকুল ইসলাম। মামলার তথ্য অনুযায়ী, রণি আক্তার বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের শিক্ষক নিবন্ধন ও বিএড সনদ জাল করে চাকরি নেন। চাকরির সুযোগ নিয়ে তিনি নিয়োগ বাণিজ্যসহ স্কুলের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। এজাহারে বলা হয়, ২০২২ সালের জুলাইয়ে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর আসামি সরকারি বেতন-ভাতা পাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জাল সনদপত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ এসব কাগজপত্র ভুয়া প্রমাণিত করে বেতন-ভাতা বাতিল করেন। ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আসামি বিদ্যালয় থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন এবং পরে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here