জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্য ও প্রখ্যাত সাংবাদিক ইব্রাহিম আজাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৩ বছর। রোববার (৩০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় গুলশানের নিজ বাসায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। দ্রুত ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জানা গেছে, এক মাস আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তার হার্টে রিং বসানো হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে বাসায় ফিরে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছিলেন তিনি। আজ সোমবার (০১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহ চট্টগ্রামে নেওয়া হবে। হাটহাজারীর ধলই গ্রামে তার নিজ জন্মস্থানে দ্বিতীয় জানাজার পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে ইব্রাহিম আজাদ দৈনিক *ভোরের কাগজ* ও *প্রথম আলো*-তে কাজের পর ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় যোগ দেন। একুশে টেলিভিশনে প্ল্যানিং এডিটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পর এটিএন বাংলা, দীপ্ত টিভি ও নিউজ টোয়েন্টিফোর-এ হেড অব নিউজ হিসেবে কাজ করেছেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকার একটি গ্রুপ অব কোম্পানিতে মিডিয়া উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। ইব্রাহিম আজাদ স্ত্রী, এক ছেলে, এক মেয়ে ও বহু সহকর্মী-গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে জাতীয় প্রেস ক্লাব, চিটাগাং জার্নালিস্ট ফোরাম ঢাকা (সিজেএফডি) এবং চট্টগ্রাম বিভাগ সাংবাদিক ফোরাম ঢাকা শোক প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।