শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

খাগড়াছড়িতে তৈমাতাই ও পিলাক খাল খননে কাটবে নাব্য সংকট

Homeআন্তর্জাতিকখাগড়াছড়িতে তৈমাতাই ও পিলাক খাল খননে কাটবে নাব্য সংকট

খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তৈমাতাই ও পিলাক খাল পুনঃখননের উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। দীর্ঘদিনের নাব্য সংকট, জলাবদ্ধতা ও সেচ সমস্যায় ভোগা এই অঞ্চলের কৃষকরা এখন দেখছেন সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বছরের পর বছর অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গুইমারার ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ তৈমাতাই খাল এবং ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পিলাক খাল প্রায় মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছিল। পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এলাকায় জলাবদ্ধতা বাড়ার পাশাপাশি কৃষি উৎপাদনও কমে যায়। এতে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে খাল দুটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষিতে সেচ সুবিধা বাড়বে। পাশাপাশি খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ফিরে আসায় বর্ষার পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হবে এবং শুষ্ক মৌসুমেও কৃষকরা সহজে সেচের পানি পাবেন। স্থানীয়রা মনে করছেন, তৈমাতাই ও পিলাক খাল পুনরুজ্জীবিত হলে শুধু কৃষিই নয়, এলাকার জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় এই পুনঃখনন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্মল নারায়ণ ত্রিপুরা খাল দুটির নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানান। তিনি বলেন, খাল পুনঃখনন স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। গুইমারা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইশতিয়াক আহম্মেদ জানান, ‘খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায়’ তৈমাতাই ও পিলাক খাল খননে মোট ৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও জানান, খনন কাজ শেষে খালের দুই পাড়ে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগিয়ে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলা হবে। গুইমারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিশকাতুল তামান্না বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুর্গম এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হবে। একই সঙ্গে নতুন কৃষিজমি চাষের আওতায় আসবে এবং কৃষি উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা দেবে। তিনি আরও জানান, আগামী ২০ মে খাগড়াছড়ি আসনের সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তৈমাতাই ও পিলাক খাল খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। এ উপলক্ষে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে গুইমারা উপজেলা প্রশাসন।