শিরোনাম
“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার নতুন দিগন্ত কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের উষ্ণ স্বাগত ও শুভেচ্ছা বার্তা-মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতিনেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশরাউজানে আন্তঃ এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধনঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার স্বপ্নে এক প্রবাসীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা | বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খানের মুখোমুখি-দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছেডিফেন্ডারের জায়গায় মিডফিল্ডার নিয়ে বড় চমক আনচেলত্তিরসিংগাইরে ডাকাতির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যুসীমান্তের ১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা

― Advertisement ―

“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-

-মো. কামাল উদ্দিনঃ জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় দায়িত্বের সূত্রে, কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় পেশার কারণে, আর কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয়...

নেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ

Homeজাতীয়নেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও নেপালের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাঠমান্ডুস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে নেপালের রাষ্ট্রপতিসহ দেশটির বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট মানের আম উপহার হিসেবে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে আয়োজিত এই উদ্যোগের আওতায় নেপালের জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশ ও এর জনগণের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজির বেশি উন্নতমানের বাংলাদেশি আম বিতরণ করা হয়। দূতাবাসের প্রতিনিধিরা নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন। উপহার হিসেবে দেওয়া আমগুলো বাংলাদেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। আমের গুণগত মান ও সতেজতা বজায় রাখতে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, ভারতের ফুলবাড়ি ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং নেপালের কাকরভিটা বন্দর হয়ে সেগুলো কাঠমান্ডুতে পৌঁছানো হয়। এসব আম ছিল জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে পরিচিত এবং ব্যাপকভাবে সমাদৃত। দূতাবাসের মতে, এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক আন্তরিক সম্পর্কের প্রতিফলন। একই সঙ্গে এটি উভয় দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করবে। ‘ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি’ নামে পরিচিত এই বিশেষ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।