শিরোনাম
➤চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন➤উৎপাদন বাড়লে হাতের নাগালে আসতে পারে ইলিশের দাম➤মিছিল থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ কর্মী আটক, ছাড়িয়ে নিলেন পথচারীরা➤ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন প্রক্রিয়া জেনে নিন➤বিশ্ববাজারে কমেছে তেলের দাম➤গুলশানে গাড়িচাপায় নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু: ৯ লাখ টাকায় আপস➤“ঝড়, বিতর্ক ও প্রত্যাবর্তন: কোতোয়ালী পেরিয়ে গুলশানে আবু জায়েদ নাজমুন নূর-একজন পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্নের সবচেয়ে শক্ত জবাব -নতুন দায়িত্ব, নতুন আস্থা, নতুন অধ্যায়””➤ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ➤রাষ্ট্রীয় পুলিশ পদকের স্বীকৃতি পাচ্ছেন বাবুল আজাদ কঠিন সময়ে পাহাড়তলী থেকে ডবলমুরিং, চকবাজার হয়ে ডিবিতে; সাহস, মেধা ও পেশাদারিত্বে উজ্জ্বল এক পুলিশ কর্মকর্তার পথচলা-➤জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও নিত্যপণ্যের বাজারে বড় প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

― Advertisement ―

চট্টগ্রামের স্বার্থে একজন চেয়ারম্যানকে কাজ করতে দিন | নগর পরিকল্পনার কঠিন পথে বাধা নয়, চাই সত্য, প্রমাণ ও আইনের শাসন

মো. কামাল উদ্দিন:চট্টগ্রামকে ভালোবাসি বললেই চট্টগ্রামের জন্য কাজ করা হয় না। চট্টগ্রামের জন্য কাজ করতে হলে অনেক সময় জনপ্রিয়তার পথ ছেড়ে কঠিন সিদ্ধান্তের পথে...

বাঁশখালীর শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রমিজ উদ্দীন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

Homeচট্টগ্রামবাঁশখালীর শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি রমিজ উদ্দীন র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

সাইফুল ইসলাম চট্টগ্রাম : 

চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় দায়ের করা শিশু ধর্ষণ (বলাৎকার) মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মুহাম্মদ রমিজ উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম। র‍্যাব-৭ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত রমিজ উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বাঁশখালী থানায় দায়ের করা শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি হিসেবে এজাহারভুক্ত ছিলেন এবং ঘটনার পর থেকে আত্মগোপনে ছিলেন। র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, শিশু ও নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত কেউ যেন আইনের হাত থেকে রেহাই না পায়, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।