
–মো.কামাল উদ্দিনঃ
চট্টগ্রামের দক্ষিণ প্রান্তের সমুদ্রবাতাসে ভেজা জনপদ আনোয়ারা— এখানকার মাটি যেমন উর্বর, তেমনি মানুষও পরিশ্রমী, আন্তরিক আর দেশপ্রেমে ভরপুর। এই মাটির বুক থেকেই উঠে এসেছেন এক নীরব আলো, এক প্রেরণার নাম— আবু মোহাম্মদ নিপাট। তিনি কেবল একজন রাজনীতিক নন, তিনি এক চিন্তা, এক দর্শন, এক জীবন্ত উদাহরণ— কীভাবে সততা, ন্যায়ের পথে, মানুষের ভালোবাসা নিয়েই একজন মানুষ নেতৃত্বের আসনে পৌঁছাতে পারেন। মানবিকতার রাজনীতি আবু মোহাম্মদ নিপার, সবসময় বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে শুধু বক্তৃতা নয়— রাজনীতি মানে মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। তিনি রাজনীতিকে ক্ষমতার হাতিয়ার নয়, বরং মানবসেবার মাধ্যম হিসেবে দেখেন। বিএনপির একজন নিবেদিত প্রাণ কর্মী হিসেবে তিনি বরাবরই তৃণমূল মানুষের পাশে থেকেছেন— নীরবে, নির্ভয়ে, প্রচারবিমুখ থেকে। অসহায় মানুষের দরজায় তিনি পৌঁছে যান সাহায্যের হাত বাড়িয়ে। কেউ অসুস্থ, কেউ ঘরহীন, কেউ সন্তান হারিয়ে বিপর্যস্ত— নিপা ভাই সেখানে উপস্থিত হন এক নিঃশব্দ আশ্বাস হয়ে। তিনি গোপনে সাহায্য করেন, কাউকে ছোট না করে, কাউকে প্রচারে না এনে। তাঁর এই মানবিক গুণই তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে রাজনীতির কোলাহল থেকে। জনগণের ভালোবাসায় জনতার নেতা গতকাল আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তাঁর আগমন যেন উৎসবে পরিণত হয়। মাদ্রাসার সভা হোক বা গুজরাত ইউনিয়নের সরফরাজ খানের বাড়িতে তিনটি সড়কের নামফলক উদ্বোধন— প্রতিটি স্থানে মানুষের ঢল নেমেছিল। তাঁর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মুহূর্তেই জমে যায় হাজারো মানুষের ভিড়। মহিলারা জানালায় দাঁড়িয়ে তাঁকে দেখতে চেয়েছেন, তরুণরা স্লোগানে মুখর করেছে আকাশ, বৃদ্ধরা কান্না মিশিয়ে বলেছেন— “এই মানুষটার মতো যদি আমাদের নেতা সবাই হতো!” এই দৃশ্য শুধু কোনো রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার প্রতিফলন নয়; এটি এক সম্পর্কের প্রতিচ্ছবি— নেতার সঙ্গে জনগণের হৃদয়ের সংযোগের প্রতিচ্ছবি। সততা তাঁর পরিচয় আবু মোহাম্মদ নিপার সবচেয়ে বড় শক্তি তাঁর সততা। তিনি কোনোদিন সুবিধাবাদী রাজনীতি করেননি, ক্ষমতার প্রলোভনে নত হননি। ব্যবসায়িকভাবে সফল হয়েও রাজনীতিতে স্বচ্ছতা বজায় রেখেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, “রাজনীতি হচ্ছে মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার অঙ্গীকার; তা যদি সততার ভিত্তিতে না হয়, তবে সেই রাজনীতি অর্থহীন।” স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার তিনি বিএনপির বিশ্বনেতা তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির সক্রিয় প্রচারক। তিনি মানুষকে বোঝান— আগামী বাংলাদেশ হবে এমন এক দেশ, যেখানে নাগরিক মর্যাদা, গণতন্ত্র, ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি চান, বাংলাদেশের রাজনীতি ফিরুক আদর্শে, ফিরুক ভালোবাসায়, ফিরুক জনগণের কাছে। সাংবাদিকের চোখে নিপা ভাই আমি একজন সাংবাদিক, লেখক ও টেলিভিশন উপস্থাপক হিসেবে তাঁর সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা কাটিয়ে যা দেখেছি— তা এক অনন্য অভিজ্ঞতা। তাঁর চোখে কোনো অহংকার নেই, কণ্ঠে কোনো কৌশল নেই, আছে শুধু এক নীরব বিশ্বাস— “মানুষই রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।” তিনি কথা বলেন মাটির ভাষায়, মানুষের ভাষায়। তাঁর প্রতিটি বাক্যে থাকে স্বপ্নের ছোঁয়া, আর এক নতুন ভোরের প্রত্যয়। আনোয়ারার আকাশে নতুন সূর্যোদয় আবিদুর রহমান নিপা এখন আনোয়ারার মানুষের হৃদয়ে এক আলোর প্রতীক। ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তিনি শুধু রাজনৈতিক নয়, নৈতিকভাবেও এক শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা কাগজে নয়, মানুষের মুখে, মানুষের হৃদয়ে। যে আনোয়ারা একসময় অবহেলায় ঢাকা ছিল, আজ সেখানে নিপা ভাইয়ের নেতৃত্বে মানুষ আবার আশার আলো দেখছে। এক স্বপ্নবাহকের গল্প তিনি ব্যবসায়ী হিসেবে সফল, সমাজসেবক হিসেবে শ্রদ্ধেয়, আর রাজনীতিবিদ হিসেবে অনুপ্রেরণার নাম। তিনি প্রমাণ করেছেন— অর্থ নয়, পদ নয়, মানুষের ভালোবাসাই একজন নেতার সবচেয়ে বড় সম্পদ। তাঁর যাত্রা এখন কেবল আনোয়ারা নয়— পুরো চট্টগ্রামের, এমনকি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক নতুন অধ্যায় রচনা করছে। তিনি যেন রাজনীতির ভিড়ে এক ভিন্ন রঙ— যেখানে সততা, মানবিকতা, দেশপ্রেম আর জনগণের প্রতি ভালোবাসা মিলে তৈরি করেছে এক উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব। রাজনীতির এই ধূসর সময়ে আবিদুর রহমান নিপা যেন এক সবুজ আশ্বাস। তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ, প্রতিটি উদ্যোগে স্পষ্ট হয়ে ওঠে— রাজনীতি মানে যদি মানুষের কল্যাণ হয়, তবে তিনি সেই রাজনীতির সত্যিকারের ধারক-বাহক। আনোয়ারার মানুষ আজ বলছে— “এই মানুষটির মতো নেতাই আমাদের প্রয়োজন।
আমাদের গর্ব, আমাদের অনুপ্রেরণা — আবু মোহাম্মদ নিপার।” -আরো- বড় অনুসন্ধানভিত্তিক প্রতিবেদনটি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে দৈনিক টুরিস্ট, চট্টল চিত্র, ভোরের আওয়াজ, সময়ের আলো, আমাদের বাংলা, আমাদের চট্টগ্রাম এবং কথা টিভিতে।

