শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

**সাভারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে অগ্নিসংযোগ**

Homeঢাকা**সাভারে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই বাসে অগ্নিসংযোগ**

ঢাকার সাভারে পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে দুর্বৃত্তরা দুটি বাসে আগুন দিয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৩টার দিকে রাজ ফুলবাড়িয়া স্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে পার্কিং করে রাখা *ইতিহাস পরিবহন*–এর একটি বাসে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এর ঠিক পাঁচ ঘণ্টা আগে, রাত সাড়ে ১০টার দিকে, গেন্ডা এলাকার ইউ-টার্নে পার্কিং করা আরেকটি বাসেও একইভাবে আগুন দেওয়া হয়। বাস মালিক ও সাভার ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, রাতে যাত্রী পরিবহন শেষে ইতিহাস পরিবহনের বাসটি তালা দিয়ে স্ট্যান্ডে রেখে বাসায় চলে যান চালক ও সহকারী। পরে রাত প্রায় সাড়ে ৩টার দিকে স্থানীয়দের মাধ্যমে আগুনের খবর পেয়ে মালিক ও চালক ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বাস মালিক মো. এনামুল হক বলেন, “আমাদের ধারণা দুর্বৃত্তরাই আগুন লাগিয়েছে। এমন একটি পদার্থ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ছুড়ে দিলে মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত না এলে পুরো বাসটাই পুড়ে যেত।” গেন্ডা এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের শিকার আরেক বাসের চালক মো. সেলিম জানান, “গাড়ির সামনে ইঞ্জিন কাভারের ওপর ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ পেছনের আগুনের তাপে ঘুম ভেঙে যায়। চিৎকার করে বেরিয়ে এসে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি, কিন্তু পারিনি। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে নিয়ন্ত্রণে আনে।” সাভার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে একটি ইউনিট দিয়েই আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। আগুনে বাসটির ভেতরের অংশ ও আসনগুলো সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সাভার হাইওয়ে থানার ওসি সালেহ আহমেদ বলেন, “প্রাথমিকভাবে এটি অগ্নিসংযোগ বলেই মনে হচ্ছে। কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।”