শিরোনাম
বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগনেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেআজকে স্বর্ণের বাজারদরট্রাফিক সপ্তাহ এলেও সিলেটে কমছে না যানজটআদ্-দ্বীনের অন্যান্য শাখা চালু থাকবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীঅপবাদ, বৈষম্য ও প্রত্যাবর্তনের গল্প ওসি জসিম উদ্দিনকে ঘিরে এক পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার সংগ্রাম এবং পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত-বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটনবম পে-স্কেল: চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি, বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের আভাসতিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফসিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুসহ ৭০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৭

― Advertisement ―

বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন জন্মনিবন্ধন রেকর্ড বাধ্যতামূলক করতে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে...

শত বছরেও মামলা নেই—নাটোরের সেই আদর্শ গ্রাম হুলহুলিয়া’

Homeআন্তর্জাতিকশত বছরেও মামলা নেই—নাটোরের সেই আদর্শ গ্রাম হুলহুলিয়া’

নাটোরের হুলহুলিয়া গ্রাম—যাকে স্থানীয়রা বলেন ‘আদর্শ গ্রাম’। কারণ, গত ১০০ বছরে একবারও কোনো মামলা-মোকদ্দমার কারণে পুলিশকে এ গ্রামে ঢুকতে হয়নি। রূপকথার মতো শোনালেও সত্য—এই গ্রামে নেই মাদক, নেই বাল্যবিয়ে, নেই যৌতুক, এমনকি নেই পারিবারিক সহিংসতাও। শতভাগ শিক্ষিত জনগোষ্ঠীর এই গ্রামে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা থেকে শুরু করে সব ধরনের বিরোধের নিষ্পত্তি হয় নিজেদের মধ্যেই। হুলহুলিয়ার স্বাভাবিক জীবনযাত্রার পেছনে রয়েছে ‘হুলহুলিয়া সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ’ নামে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। সংবিধানভিত্তিক নিয়মে পরিচালিত এ পরিষদই গ্রাম পরিচালনার মূল শক্তি। কোনো সমস্যা হলে প্রথমে পরিবার, পরে পাড়ার কমিটি এবং সর্বশেষ পরিষদ রায় দেয়—আর সেই রায় সবাই বিনা আপত্তিতে মেনে নেয়। তাই আদালত বা পুলিশের প্রয়োজন হয় না। চলনবিলের পাড়ে অবস্থিত এই গ্রামে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে ‘আদর্শ গ্রাম হুলহুলিয়া’ লেখা বিশাল গেট। গ্রামে একটিমাত্র মসজিদ ও একটি গোরস্থান—গ্রামকে বিভক্ত হওয়া থেকে রক্ষাই এর মূল উদ্দেশ্য। স্কুল, মাদ্রাসা, বাজার ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য আলাদা গণতান্ত্রিক কমিটি রয়েছে। গ্রামে এসএসসি পাস বাধ্যতামূলক। দারিদ্র্যের কারণে কেউ পড়াশোনা থেকে বাদ না পড়ে সে জন্য আছে বিশেষ তহবিল। গ্রামের জনসংখ্যা প্রায় ৬ হাজার হলেও ৪ হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন জায়গায় চাকরি করেন এবং নিয়মিত গ্রামের উন্নয়নে সহায়তা পাঠান। এখান থেকে তৈরি হয়েছে দুই শতাধিক প্রকৌশলী, শতাধিক এমবিবিএস ডাক্তার, বিচারক, শিক্ষকসহ অসংখ্য গুণী মানুষ। গ্রামের গর্ব মরহুম মোহাম্মদ হানিফ উদ্দিন মিয়া—বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামারও এখানকার সন্তান। ১৯৪০ সালে শুরু হওয়া সামাজিক উন্নয়ন পরিষদ ছাড়াও ‘ডায়মন্ড ক্লাব’, ‘শেকড়’ ও ‘বটবৃক্ষ’—এই তিন সংগঠন গ্রামের সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করছে। ২০১৬ সালে ২ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত ডিজিটাল হাব গ্রামটিকে প্রযুক্তির দিক থেকেও এগিয়ে নিয়েছে। আছে নিজস্ব ওয়েবসাইট, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও ডিজিটাল ইসিজি রুম। সিংড়া থানার ওসি মমিনুজ্জামান জানান, *“হুলহুলিয়ায় অপরাধ বলতে কিছু নেই। সব সমস্যাই তারা নিজেরাই সমাধান করেন।”* ইউএনও মাজহারুল ইসলাম বলেন, *“এ গ্রাম এখন দেশের আদর্শ গ্রামগুলোর মধ্যে একটি।