জোরারগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

0
4

চট্টগ্রামের জোরারগঞ্জে ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের তিন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে চারটি ছোরা, একটি লম্বা রামদা ও সাতটি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—মো. আনোয়ার হোসেন (২৩), বেলায়েত হোসেন (৩০) এবং মো. আলাউদ্দিন ওরফে মামুন (৩৬)। তারা চট্টগ্রাম ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, জোরারগঞ্জ থানার বারইয়ারহাট-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়কের নয়াটিলা থেকে কয়লা বাজারের মধ্যবর্তী এলাকায় সম্প্রতি ডাকাতির ঘটনা ও ডাকাত দলের তৎপরতা বেড়ে যায়। এ কারণে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের নিরাপত্তায় সন্ধ্যার পর থেকে ভোররাত পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত সোয়া ৮টার দিকে করেরহাট ইউনিয়নের ঘেড়ামারা এলাকার নয়াটিলা মাজারের প্রায় ১০০ গজ পূর্বে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় মহাসড়কের পাশে জঙ্গলের মধ্যে মুখোশ পরিহিত ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি দলকে দেশীয় অস্ত্রসহ অবস্থান করতে দেখা যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দলটির সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে অন্যরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে চারটি ছোরা, একটি লম্বা রামদা ও সাতটি কালো মুখোশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছে, মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন থামিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে তারা অস্ত্রসহ সেখানে জড়ো হয়েছিল। তদন্তে গ্রেপ্তার তিনজন আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে তথ্য পাওয়া গেছে। পলাতক দলের সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার আলাউদ্দিন ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে জোরারগঞ্জ থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাতেও তার বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, বিপিএমের নির্দেশনায় এবং জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুল হালিমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here