সিরিয়ার জ্বালানি খাতে পশ্চিমা বিনিয়োগে আগ্রহ বাড়ছে

0
142

সিরিয়ার জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়তে থাকায় সুযোগ দেখতে শুরু করেছে ব্রিটেন ও ইউরোপের বড় কোম্পানিগুলো। শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সিরিয়ার অর্থনীতি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ওসামা আল-কাদি জানান, মার্কিন কোম্পানি কনোকোফিলিপস ও শেভরন ইতোমধ্যে তেল ও গ্যাস খাতে কার্যক্রম শুরু করেছে। এর পরই ব্রিটিশ এনার্জি জায়ান্ট শেলসহ ইউরোপের আরও প্রতিষ্ঠান মার্কিন কোম্পানির সঙ্গে অংশীদার হয়ে সিরিয়ায় বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে। তিনি বলেন, নবগঠিত ব্রিটিশ-সিরীয় বিজনেস কাউন্সিল ব্যাংকিং লেনদেনের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে, যা আমদানি-রপ্তানি সহজ করবে এবং ব্যাংক খাতকে গতিশীল করবে। আল-কাদির ভাষায়, কনোকোফিলিপস খুব শিগগিরই কারিগরি কার্যক্রম শুরু করছে, আর নতুন বছরের শুরুতেই পূর্ণ মাত্রায় কাজ এগোতে পারে। মার্কিন কোম্পানির এসব চুক্তিকে ইউরোপীয় বিনিয়োগকারীরা দেখছেন ২০১৯ সালের সিজার অ্যাক্ট নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা বাতিলের সম্ভাব্য ইঙ্গিত হিসেবে। এতে জার্মানি, ফ্রান্সসহ আরও দেশ সিরিয়ার বাজারে প্রবেশে আগ্রহ দেখাতে পারে। গত মে মাসে সৌদি আরবে এক বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সিরিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারাকে আশ্বস্ত করেছিলেন—যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ার ওপর আরোপিত সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে। তবে সিজার অ্যাক্ট বাতিলের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন, যা বছরের শেষ নাগাদ হতে পারে। আল-কাদি আরও জানান, লাতাকিয়া ও তর্তুস বন্দরের ব্যবস্থাপনা এখন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ড ও কয়েকটি ফরাসি কোম্পানির হাতে, যা আরব দেশগুলোর সঙ্গে বিস্তৃত সমঝোতার অংশ। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন—ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো, পরিবহন ও ব্যাংকিং খাত আধুনিকায়ন, আইনি কাঠামোর সংস্কারসহ সিরিয়ার সামনে এখনো বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এসব মোকাবিলায় নতুন আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here