
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দেশটির একাধিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও ফার্স তার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করে। এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে নিজ কার্যালয়ে তিনি হামলার শিকার হন বলে জানানো হয়। প্রায় ৩৭ বছর ধরে ইরান শাসন করা এ নেতাকে লক্ষ্য করে ভোরের দিকে হামলা চালানো হয় বলে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল জানিয়েছে। ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার সময় খামেনি তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের বরাতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে খামেনি এবং তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের লক্ষ্যবস্তু করার সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের তথ্য নিশ্চিত করার পরই দিনের আলোতে হামলার বিরল সুযোগ তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় খামেনির বাসভবনে প্রায় ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এদিকে শনিবার তার বাসভবনের স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে আল জাজিরা। ছবিতে দেখা যায়, ভবনটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়েছে, চারপাশ কালো হয়ে গেছে—যা বড় ধরনের বিস্ফোরণের ইঙ্গিত দেয়। তবে হামলার ধরন, ব্যবহৃত অস্ত্র বা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

