শিরোনাম
“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার নতুন দিগন্ত কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের উষ্ণ স্বাগত ও শুভেচ্ছা বার্তা-মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতিনেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশরাউজানে আন্তঃ এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধনঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার স্বপ্নে এক প্রবাসীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা | বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খানের মুখোমুখি-দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছেডিফেন্ডারের জায়গায় মিডফিল্ডার নিয়ে বড় চমক আনচেলত্তিরসিংগাইরে ডাকাতির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যুসীমান্তের ১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা

― Advertisement ―

“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-

-মো. কামাল উদ্দিনঃ জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় দায়িত্বের সূত্রে, কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় পেশার কারণে, আর কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয়...

মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি

Homeআন্তর্জাতিকমে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ...

ঢাকা, ১৩ জুন: দেশে গত মে মাসে ৬১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৫২ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৪২টি দুর্ঘটনায় ৩৪ জন নিহত ও ২৯ জন আহত এবং নৌপথে ২১টি দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত, ১৫ জন আহত ও ৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে মে মাসে মোট ৬৭৬টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ হাজার ৬৯৬ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণভিত্তিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। শনিবার (১৩ জুন) সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, মে মাসে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত ও ২১৯ জন আহত হয়েছেন। মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ এবং মোট নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। সেখানে ১৮০টি দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ৫৫৮ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সবচেয়ে কম দুর্ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহ বিভাগে, যেখানে ২৭টি দুর্ঘটনায় ৩৮ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ১৩৯ জন চালক, ১২১ জন পথচারী, ১১৩ জন পরিবহন শ্রমিক, ৯৬ জন শিক্ষার্থী, ৯৩ জন নারী এবং ৬৮ জন শিশুর পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১৩৬ জন চালক, ১১০ জন পথচারী, ৭৩ জন শিক্ষার্থী, ৬৯ জন নারী, ৫৯ জন শিশু এবং ৪৯ জন পরিবহন শ্রমিক। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, দুর্ঘটনায় জড়িত ৯৭৫টি যানবাহনের মধ্যে ২৮ দশমিক ৬৯ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৩ দশমিক ১০ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ বাস এবং ১২ দশমিক ৯৭ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইক। দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৪২ দশমিক ৮ শতাংশ দুর্ঘটনা মুখোমুখি সংঘর্ষে, ৩২ দশমিক ৩০ শতাংশ গাড়ির চাপা বা ধাক্কায় এবং ১৮ দশমিক ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ঘটেছে। স্থানভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সড়ক দুর্ঘটনার ৪৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৩০ দশমিক ৬৬ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে এবং ১৮ দশমিক ১০ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে জাতীয় মহাসড়কে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও ব্যাটারিচালিত যানবাহনের অবাধ চলাচল, সড়কে পর্যাপ্ত রোড সাইন ও মার্কিংয়ের অভাব, উল্টোপথে যান চলাচল, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন, বেপরোয়া গতি এবং ভাঙাচোরা সড়ককে দায়ী করেছে। সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংগঠনটি প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, আধুনিক গণপরিবহন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ, মহাসড়কে সার্ভিস লেন ও ফুটপাত নির্মাণ, ফিটনেস ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ এবং পরিবহন খাতে কাঠামোগত সংস্কারের সুপারিশ করেছে।