শিরোনাম
“জাতীয় ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে বিতর্ক: খুলশী থানার নেতৃত্ব, জনআস্থা এবং ওসি আরিফকে প্রত্যাহারের দাবির প্রেক্ষাপট-সংসদে আবারও উচ্চারিত হলো চট্টগ্রামের প্রাণের দাবি বাণিজ্যিক রাজধানীর কথা- এমপি জসীম উদ্দীনের প্রশ্নে নতুন গতি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জবাবে আশার আলো বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষণার ২৩ বছর পর বাস্তবায়নের পথে কি এগোবে চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক রাজধানীর স্বপ্ন?সুফিয়া নুর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পুষ্টির যোগানে ফল উৎসব অনুষ্ঠিত“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার নতুন দিগন্ত কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের উষ্ণ স্বাগত ও শুভেচ্ছা বার্তা-মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতিনেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশরাউজানে আন্তঃ এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধনঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার স্বপ্নে এক প্রবাসীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা | বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খানের মুখোমুখি-দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

― Advertisement ―

“জাতীয় ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে ঘিরে বিতর্ক: খুলশী থানার নেতৃত্ব, জনআস্থা এবং ওসি আরিফকে প্রত্যাহারের দাবির প্রেক্ষাপট-

মো. কামাল উদ্দিনঃ চট্টগ্রামের মানুষ বহু ঘটনা দেখেছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখেছে, অপরাধের উত্থান-পতন দেখেছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাফল্যও দেখেছে। কিন্তু এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা...

**হাসিনা–কামালের রায় নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মন্তব্য**

Homeজাতীয়**হাসিনা–কামালের রায় নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মন্তব্য**

মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার রায়কে **‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’** বলে মন্তব্য করেছে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। সংস্থাটি জানায়, আসামিদের অনুপস্থিতিতে এবং নিজেদের পছন্দমতো আইনজীবী ছাড়া বিচার পরিচালনা হওয়ায় ন্যায়বিচার নিয়ে **গুরুতর প্রশ্ন** তৈরি হয়েছে। একই মামলার তৃতীয় আসামি—সাবেক পুলিশপ্রধান চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন—পেয়েছেন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড। এইচআরডব্লিউয়ের এশিয়া বিভাগের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, যে কোনো বিচার প্রক্রিয়ায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড সম্পূর্ণভাবে অনুসরণ করা আবশ্যক। তাঁর মতে, হাসিনার প্রশাসনের সময়ে সংঘটিত ভয়াবহ নির্যাতনের দায়ীদের জবাবদিহিতে আনতে হলে **স্বাধীন তদন্ত এবং বিশ্বাসযোগ্য বিচারই** একমাত্র পথ। জাতিসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হন। কিন্তু এই মামলায় আসামিদের সাক্ষ্যদানের সুযোগ, নিজেদের আইনজীবী নিয়োগ বা আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের যথাযথ সুযোগ ছিল না বলে সংস্থার অভিযোগ। যদিও আদালত রায়ে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য ও অভিযোগ বিবেচনা করে ‘ক্রাইমস অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটি’ আইনে বিচার সম্পন্ন করার কথা উল্লেখ করেছে, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলছে—বিচার প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিক মান পূরণ করেনি। রায়ে আরও বলা হয়েছে, হাসিনা ও কামালের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি, তাদের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।  মীনাক্ষী গাঙ্গুলি আবারও জোর দিয়ে বলেন, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হলে **স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানসম্মত বিচার** অপরিহার্য।