শিরোনাম
বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগনেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধেআজকে স্বর্ণের বাজারদরট্রাফিক সপ্তাহ এলেও সিলেটে কমছে না যানজটআদ্-দ্বীনের অন্যান্য শাখা চালু থাকবে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীঅপবাদ, বৈষম্য ও প্রত্যাবর্তনের গল্প ওসি জসিম উদ্দিনকে ঘিরে এক পেশাদার পুলিশ কর্মকর্তার সংগ্রাম এবং পুলিশ কমিশনার শওকত আলীর বিচক্ষণ সিদ্ধান্ত-বকেয়া বেতনের দাবিতে মহাখালী-তেজগাঁও সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজটনবম পে-স্কেল: চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রস্তুতি, বেতন-ভাতায় বড় পরিবর্তনের আভাসতিন দিন পর শূন্যরেখা থেকে ১২ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফসিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় ৬৯ শিশুসহ ৭০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২৯৭

― Advertisement ―

বিয়ের নিবন্ধনে অনলাইন জন্মনিবন্ধন বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ

বিয়ের নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ম্যানুয়াল জন্মসনদের পরিবর্তে অনলাইন জন্মনিবন্ধন রেকর্ড বাধ্যতামূলক করতে ‘বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদে...

 পুরুষ বন্ধ্যত্ব: কারণ, নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা

Homeবিনোদন পুরুষ বন্ধ্যত্ব: কারণ, নির্ণয় ও কার্যকর চিকিৎসা

যখন পুরুষের বীর্যে শুক্রাণুর সংখ্যা বা গতি কমে যায়, কিংবা বীর্যে একেবারেই শুক্রাণু পাওয়া যায় না, এবং পুরুষের কারণে দম্পতি এক বছর সহবাসের পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হয়—তখন সেটিকে **পুরুষ বন্ধ্যত্ব** বলা হয়। বন্ধ্যত্বে আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় **৩০ থেকে ৪০ শতাংশই পুরুষ**।  সম্ভাব্য কারণ অতিরিক্ত **ধূমপান, মদ্যপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ**, দীর্ঘ সময় বসে থাকা বা **সেডেন্টারি লাইফস্টাইল**, **স্থূলতা**, অতিরিক্ত **মানসিক চাপ**, **হরমোনজনিত সমস্যা** (যেমন টেস্টোস্টেরন, থাইরয়েড, প্রোলাকটিনের ভারসাম্যহীনতা), **জিনগত ত্রুটি**, **সংক্রমণ** (ক্ল্যামিডিয়া, গনোরিয়া), **শুক্রনালি ব্লক**, **অণ্ডকোষের টিউমার বা ভেরিকোসিলি**, **মাম্পস অরকাইটিস**, কিংবা দীর্ঘ সময় **গরম পরিবেশে কাজ করা**—সবই পুরুষ বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে। রোগ নির্ণয় প্রাথমিকভাবে **বীর্য পরীক্ষা** করেই পুরুষ বন্ধ্যত্ব নির্ণয় করা সম্ভব। তিন দিন সহবাস বন্ধ রেখে নমুনা সংগ্রহ করতে হয়। একটি রিপোর্ট খারাপ এলে **এক মাস পর পুনরায় পরীক্ষা** করা হয়। ফল একই থাকলে **অণ্ডকোষের আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও হরমোনাল পরীক্ষা** করা হয়  চিকিৎসা ও প্রতিকার প্রথম ধাপ হলো **লাইফস্টাইল পরিবর্তন**: * ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা * প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা * সবুজ শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া * তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার * ধূমপান, মদ্যপান ও মানসিক চাপ কমানো * পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করা শুক্রাণুর মান ও গতি বৃদ্ধির জন্য চিকিৎসকরা প্রয়োজনীয় **মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট** ও ওষুধ দিতে পারেন। সাধারণত ৩ মাস পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। উন্নতি হলে প্রাকৃতিকভাবে সন্তানধারণের চেষ্টা করা হয়, না হলে **বিকল্প পদ্ধতি** অবলম্বন করা যায়। যদি তাতেও ফল না আসে, তবে **আইভিএফ (IVF)** বা **আইসিএসআই (ICSI)** করা হয়। * **ভেরিকোসিলি বা শুক্রনালি বন্ধ** থাকলে সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে। * **আইইউআই (IUI)** করা হয় মাঝারি মাত্রার সমস্যায়। * **আইসিএসআই (ICSI)** প্রয়োগ করা হয় গুরুতর ক্ষেত্রে, বিশেষ করে **অ্যাজোস্পার্মিয়া** (যখন বীর্যে কোনো শুক্রাণু থাকে না) রোগীর ক্ষেত্রে অণ্ডকোষ থেকে সরাসরি শুক্রাণু নিয়ে নিষেক করানো হয়। **ডা. অবন্তি ঘোষ** গাইনি, প্রসূতি ও বন্ধ্যত্ব রোগ বিশেষজ্ঞ **চেম্বার:** আলোক হেলথকেয়ার, মিরপুর-১০