শিরোনাম
তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃবাঙালি মুসলমানদের ইংরেজি সাংবাদিকতার পথিকৃৎ: শাহ মোহাম্মদ বদিউল আলম ও ব্যারিস্টার আবদুর রসুলের গৌরবগাথা নবজাগরণ, শিক্ষা আন্দোলন ও মুসলিম সাংবাদিকতার এক বিস্মৃত ইতিহাস“নজরুল চর্চাই গড়ে তুলবে মানবিক, অসাম্প্রদায়িক ও আলোকিত প্রজন্ম”ঈদের আনন্দে হৃদয়ের পুনর্মিলন: কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের সৌহার্দ্যের মহাসম্মিলন-জেলা গোয়েন্দা শাখা ও জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ এর যৌথ অভিযানে আন্তঃজেলা দুর্ধর্ষ ডাকাত ২৯ মামলার আসামি মোঃ নুর নবীসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতারকুরবানি : আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও তরিকায়ে মাইজভান্ডারীয়াক্লিকবেট সাংবাদিকতার আগ্রাসন ও আস্থার সংকট: গণমাধ্যমের নৈতিক পুনর্জাগরণ এখন সময়ের অনিবার্য দাবিবিপণিবিতানে ক্রেতা কম, ফুটপাতেই বেশি ভিড়বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সব থেকে স্বাধীন : আইনমন্ত্রীঈদে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে

― Advertisement ―

তোফায়েল আহমেদ ও রক্ষীবাহিনী প্রসঙ্গে ইতিহাসের বহুমাত্রিক পাঠ, প্রেক্ষাপট ও বিতর্কের রাজনীতিঃ

-মো.কামাল উদ্দিন বাংলাদেশের ইতিহাস এমন এক প্রবাহ, যেখানে ব্যক্তি, রাষ্ট্র, যুদ্ধ, সংগ্রাম এবং রাজনৈতিক মতাদর্শ একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। এই ইতিহাসে কিছু অধ্যায় আছে...

স্থির হলেও চালের দাম উচ্চ, পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী

Homeঅর্থনীতিস্থির হলেও চালের দাম উচ্চ, পেঁয়াজের বাজার ঊর্ধ্বমুখী

মাসখানেক ধরে চালের দাম স্থিতিশীলভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে। পাইকারি বাজারে কোনো চাল ৫৮ টাকার নিচে পাওয়া যায় না, আর খুচরা বাজারে ক্রেতাদের ৬০–৬৫ টাকায় চাল কিনতে হচ্ছে। অন্যদিকে, পেঁয়াজের দাম ধাপে ধাপে বাড়ছে। দীর্ঘদিন ৮০ টাকার নিচে পাওয়া যাওয়া পেঁয়াজ এখন কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে দেখা গেছে, পাইকারিতে প্রতি কেজি পাইজাম ও আটাশ চাল ৫৮–৬০ টাকায়, মিনিকেট ৭৬–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব চাল ক্রেতাদের অন্তত ৫ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। চাটখিল রাইস এজেন্সির বেলাল হোসেন জানান, “চালের দাম আগের মতোই আছে। দেড়-দুই মাস আগে বস্তাপ্রতি কিছুটা বেড়েছিল, এখন সেই দামেই স্থিত।” পেঁয়াজের দাম ক্রমবর্ধমান। বিক্রেতা আল আমিন বলছেন, “সরবরাহ কম থাকায় দাম বাড়ছে। ভবিষ্যতেও দাম বেড়ে যেতে পারে, তাই আমদানি প্রয়োজন।” ক্রেতা হোসেন আলী বলেন, “দাম ৮০–৯০ টাকায় থাকলে স্বাভাবিক, কিন্তু ১২০ টাকায় পৌঁছানো অপ্রত্যাশিত।” কারওয়ান বাজারে পেঁয়াজ ১২০ টাকায় মিললেও পাড়া-মহল্লায় ক্রেতাদের কেজিপ্রতি ১৩০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। তবে আলু প্রতি কেজি ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আদা ও রসুনের দাম অপরিবর্তিত; চায়না রসুন ১৬০ টাকা, দেশি রসুন ৮০–১০০ টাকা, থাইল্যান্ডের আদা ২০০ টাকা এবং চায়না আদা ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামও বেড়েছে। সরবরাহ কম থাকায় পাঙাশ ও তেলাপিয়া ১৯০–২০০ টাকা, চাষের কৈ ২০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, আর রুই ২৮০–৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেড় কেজির রুই ৩৩০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ বিক্রেতা মো. সেলিম জানান, “এই সপ্তাহে কিছু মাছের দাম ১০–২০ টাকা বেড়েছে।” সবজি বাজারে পটোল, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঢ্যাঁড়শ ৫০–৬০ টাকায়, ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লম্বা বেগুন ৫০ টাকা, সবুজ গোল বেগুন ৮০–১০০ টাকা, তাল বেগুন ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটির দাম ৮০–৯০ টাকা, লাউ ৫০–৬০ টাকা, মরিচ ১২০ টাকা কেজি। উচ্ছ ৭০ টাকা, কচুরলতি ৬০ টাকা, শিম ৬০–৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের দাম অপরিবর্তিত; প্রতি ডজন ১৩০ টাকা, হালি লাল ডিম ৪৫ টাকা। মুরগির দামও স্থিতিশীল; ব্রয়লার ১৭০, সোনালি ২৭০–২৮০, হাইব্রিড সোনালি ২৫০ টাকা কেজি। গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত; গরু ৭৫০, খাসি ১,২০০ এবং ছাগল ১,১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।