
গ্রেপ্তাররা হলেন—সারোয়াতলী ইউনিয়নের বেঙ্গুরা গ্রামের আহাম্মদ হোসেনের ছেলে ইমতিয়াজ হোসেন আহাদ (১৮), মো. লোকমানের ছেলে আব্দুল শুকুর রায়হান বাদশা (১৬) এবং মো. সোলায়মানের ছেলে নুরুল আলম বাঁধন (১৯)। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ লুৎফুর রহমান। তিনি জানান, গত সোমবার (১০ নভেম্বর) শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলার পরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করে। ওসি বলেন, এসএসসি দ্বিতীয় বর্ষে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থী বাথরুমে গোসল করার সময় ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে নগ্ন ভিডিও ধারণ করে তা তার আত্মীয়স্বজনদের মেসেঞ্জারে পাঠাচ্ছিল যুবকেরা। শিক্ষার্থীর মা জানান, আহাদ দীর্ঘদিন ধরে তার মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করছিল। মেয়ের সাড়া না পেয়ে সে ক্ষতির হুমকি দেয়। সোমবার দুপুরে এক প্রতিবেশী নারীর মোবাইলে ভিডিওটি দেখে বিষয়টি জানতে পারেন তারা। ঘটনার বিষয়ে মেয়েকে জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, গত ১৮ জুলাই গোসলের সময় বাথরুমের ভেন্টিলেটরের বাইরে কারো উপস্থিতি টের পেয়েছিল, কিন্তু ডাক দিলে লোকটি পালিয়ে যায়। মায়ের অভিযোগ, আহাদ তার সহযোগী বাদশা ও বাঁধনের সহায়তায় গোপনে ভিডিও ধারণ করে মেসেঞ্জারে ছড়িয়ে মেয়ের সম্মানহানি ও সামাজিকভাবে অপমান করেছে।
