প্রিপেইড মিটারের ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের ব্যাখ্যা

0
256

বিদ্যুৎ বিভাগ জানিয়েছে, প্রিপেইড মিটারে প্রতি মাসের প্রথম রিচার্জেই ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কেটে নেওয়া হয়। কোনো মাসে রিচার্জ না হলে পরবর্তী রিচার্জে ওই মাস বা মাসগুলোর চার্জ সমন্বয় করা হয়। বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিদ্যুৎ বিভাগ এক বার্তায় এ তথ্য জানায়। বার্তায় বলা হয়েছে, প্রিপেইড ও পোস্ট পেইড—উভয় মিটারে ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ ও খরচ একই থাকে। প্রিপেইড মিটারে রিচার্জ করা এনার্জির ওপর সরকার ০.৫ শতাংশ রিবেট দেয়। এ ধরনের সংযোগে নিরাপত্তা জামানতও প্রয়োজন হয় না। পোস্ট পেইডের মতো প্রিপেইড মিটারের অনুমোদিত লোড অনুযায়ী প্রতি কিলোওয়াটে মাসে ৪২ টাকা হারে (আবাসিক গ্রাহক) ডিমান্ড চার্জ এবং ৫ শতাংশ ভ্যাট কাটা হয়। এ ছাড়া বিতরণ সংস্থার সরবরাহকৃত মিটারের ক্ষেত্রে প্রতি মাসে সিঙ্গেল ফেজে ৪০ টাকা এবং থ্রি ফেজে ২৫০ টাকা করে মিটার ভাড়া নেওয়া হয়। কোনো প্রাকৃতিক বা যান্ত্রিক ত্রুটিতে মিটার নষ্ট হলে সংস্থা বিনামূল্যে মিটার বদলে দেয়। তবে গ্রাহক নিজে মিটার কিনে লাগালে ভাড়া প্রযোজ্য নয়। বার্তায় আরও জানানো হয়, গ্রাহক নিজের আর্থিক সক্ষমতা অনুযায়ী যেকোনো সময় প্রিপেইড মিটার রিচার্জ করতে পারেন। বিকাশ, নগদ, রবি, জিপি, উপায়, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডসহ বিভিন্ন অনলাইন চ্যানেল এবং ভেন্ডিং স্টেশন, পস এজেন্ট কিংবা ব্যাংক বুথ থেকেও রিচার্জ করা যায়। এতে যাতায়াতের সময় ও খরচ বাঁচে এবং রিচার্জের সঙ্গে সঙ্গে মিটারের ব্যালেন্স দেখা যায়। ব্যালেন্স কমে গেলে মিটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে অ্যালার্ম দেয়। বিদ্যুৎ বিভাগ আরও জানায়, ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলেও গ্রাহক বিকেল ৪টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত, সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং ইমার্জেন্সি ক্রেডিট সুবিধা ব্যবহার করতে পারেন। এ সময় ব্যবহৃত ইউনিটের অগ্রিম ব্যয় মিটারে বকেয়া হিসেবে জমা হয়, যা পরবর্তী রিচার্জে সমন্বয় করা হয়। মিটারে জমা থাকা ব্যালেন্স দিয়ে পরবর্তী মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে এনার্জি খরচ কাটা হলেও ডিমান্ড চার্জ ও মিটার ভাড়া কাটা হয় না। শুধুমাত্র মাসের প্রথম রিচার্জেই এসব চার্জ নেওয়া হয়। কোনো মাসে রিচার্জ না হলে পরবর্তী রিচার্জে পূর্বের সব বকেয়া ডিমান্ড চার्ज ও মিটার ভাড়া একসঙ্গে কেটে নেওয়া হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here