দাদিকে কুপিয়ে ও নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা

0
127

ঈশ্বরদী উপজেলার গভীর রাতে দাদি ও নাতনিকে কেন্দ্র করে মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা দাদিকে কুপিয়ে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। পৃথক স্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ পুলিশ সদস্যরা মরদেহ দুটি উদ্ধার করেন। এর আগে মধ্যরাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ভবানিপুর উত্তরপাড়ার বাসিন্দা সুফিয়া খাতুন (৬৫) এবং তার নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টিনশেড বাড়িতে দাদি ও নাতনি একসঙ্গেই বসবাস করতেন। নিহত শিক্ষার্থী জামিলা আক্তার কালিকাপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী ছিলেন এবং তার বাবা ঢাকায় অবস্থান করতেন। গভীর রাতে বাড়ি থেকে কান্নার শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে তারা ফিরে যান। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে গম ও সরিষা ক্ষেতের আইলের মধ্যে বিবস্ত্র অবস্থায় জামিলা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, নাতনিকে তুলে নিতে বাধা দেওয়ায় প্রথমে দাদিকে হত্যা করা হয়। এরপর নাতনিকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ ক্ষেতের মধ্যে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here