শিরোনাম
“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-আজ ১৩ জুন কক্সবাজার সফরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী: উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও মানবিক রাষ্ট্রচিন্তার নতুন দিগন্ত কক্সবাজার ক্লাব লিমিটেডের উষ্ণ স্বাগত ও শুভেচ্ছা বার্তা-মে মাসে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৬২২, আহত ১,৬৫২ : যাত্রী কল্যাণ সমিতিনেপালের রাষ্ট্রপতিসহ বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশরাউজানে আন্তঃ এমপি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধনঘুমন্ত জাতিকে জাগ্রত করার স্বপ্নে এক প্রবাসীর রাজনৈতিক অভিযাত্রা | বাংলাদেশ জাগ্রত পার্টির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ইকরামুল হক খানের মুখোমুখি-দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছেডিফেন্ডারের জায়গায় মিডফিল্ডার নিয়ে বড় চমক আনচেলত্তিরসিংগাইরে ডাকাতির অভিযোগে গণপিটুনিতে যুবকের মৃত্যুসীমান্তের ১১ জেলায় বিজিবির সঙ্গে দায়িত্বে আনসার-ভিডিপি সদস্যরা

― Advertisement ―

“৮৪০ ঘণ্টার আলোকযাত্রা : সোনারগাঁও থানার ওসি গোলাম সরোয়ার, কিছু স্মৃতি, কিছু মানুষ এবং এক অনন্য বিকেলের গল্প-

-মো. কামাল উদ্দিনঃ জীবনের দীর্ঘ পথচলায় কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় দায়িত্বের সূত্রে, কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় পেশার কারণে, আর কিছু মানুষের সঙ্গে পরিচয়...

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে ইট দিয়ে পিটিয়ে মাটি ব্যবসায়ীর হত্যা

Homeআন্তর্জাতিকনোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে ইট দিয়ে পিটিয়ে মাটি ব্যবসায়ীর হত্যা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়িতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাটি ব্যবসায়ী আবুল কাশেমকে ইট পেটার মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৪ অক্টোবর) বিকেলে সোনাইমুড়ি পূর্বপাড়া আবেদ ভুঁইয়া বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম ছিলেন পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আবেদ ভুঁইয়া বাড়ির দুধ মিয়ার ছেলে এবং একজন মাটি ব্যবসায়ী। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—সোনাইমুড়ি গ্রামের হাবিবুল্লাহ ডাক্তার বাড়ির মাইনউদ্দিন, তার ছেলে রাকিব এবং জমাদার বাড়ির আবুল খায়ের মাস্টার। স্থানীয়রা ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার (১৯ অক্টোবর) আবেদ ভুঁইয়া বাড়ির মসজিদের সামনে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে জমাদার বাড়ির খায়ের মাস্টারের সঙ্গে একই গ্রামের ভুঁইয়া বাড়ির ফরহাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এ নিয়ে শুক্রবার জুমার নামাজের পর সালিশ বসার কথা থাকলেও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি। পরে ফরহাদ আবার খেলার জন্য যায়। তখন রাহাত, সজীব ও জসিমের সঙ্গে ফরহাদের কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মারধর করা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে কাশেম ও তার ছেলে সোহাগ এগিয়ে গেলে মুহূর্তের মধ্যে আবুল খায়ের মাস্টারসহ ৩০–৪০ জন কাশেম ও সোহাগের ওপর ইট ছোড়া শুরু করে। খায়েরের ছেলে আনোয়ার, ফারুক, জাহাঙ্গীরসহ ৮–১০ জন ইট দিয়ে ধারাবাহিক আঘাত করে কাশেমের মৃত্যু নিশ্চিত করে। স্থানীয়রা খবর পেয়ে এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে কাশেমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সোনাইমুড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে এবং লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এছাড়া কাশেমের ছেলে থানায় মামলা করেছেন।