শিরোনাম
“আলোর অন্বেষণে এক দৃঢ় প্রহরী—র‍্যাব মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশকে ‘দ্য টুরিস্ট’-ও চট্টলচিত্রের এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও প্রত্যাশা-“চট্টগ্রামের রাজনীতি ও প্রশাসনিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার ঢেউ—অ্যাডভোকেট এম লোকমান শাহ ও সাবেক পুলিশ কমিশনার হাসিব আজিজকে ঘিরে মূল্যায়ন ও প্রত্যাশা-ঢাকায়ও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্তঅভিনেতা তপনের অবস্থা সংকটাপন্ন, সরকারি সহায়তা চান পরিবারবিশ্ববাজারে কমলো স্বর্ণের দামচট্টগ্রামের গর্ব বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল: পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে সাগরিকার প্রবেশপথবিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দিন উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ, দফায় দফায় সংঘর্ষপ্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১১ পয়সাআলো-অন্ধকারের সংলাপে এক দীপ্ত নারী: রাশেদা আকতার মুন্নীর জীবন, সংগ্রাম ও মানবিকতার উপাখ্যান”২২তম স্মরণ সভায় সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা- সাংবাদিক সৈয়দ মোস্তফা জামাল ছিলেন নিরহংকারী, নীতিবান, মানবতাবাদী ও সমাজহিতৈষী মানুষ

― Advertisement ―

“আলোর অন্বেষণে এক দৃঢ় প্রহরী—র‍্যাব মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশকে ‘দ্য টুরিস্ট’-ও চট্টলচিত্রের এর পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও প্রত্যাশা-

-মো.কামাল উদ্দিন রাষ্ট্রযন্ত্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদই কেবল দায়িত্বের নয়, বরং জনআস্থার এক দৃঢ় প্রতীক। সেই আস্থারই এক নতুন বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব...

ঢাকায়ও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত

Homeজাতীয়ঢাকায়ও লোডশেডিং দেওয়ার সিদ্ধান্ত

ঢাকায় পরীক্ষামূলক লোডশেডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেচ কার্যক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, কৃষিখাতে সেচব্যবস্থা নির্বিঘ্ন রাখতে এবং শহর-গ্রামের বিদ্যুৎ বৈষম্য কমাতে রাজধানীতে পরীক্ষামূলকভাবে লোডশেডিং করা হবে। এতে গ্রামের কৃষকরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন এবং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পান, সেটিই নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশে দৈনিক প্রায় ৩,৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ করা যাচ্ছে ২,৬৩৬ মিলিয়ন ঘনফুট, ফলে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে দ্রুত গ্যাস আমদানি বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না, তবে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে এ খাতে অগ্রগতি দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এছাড়া, একটি আমদানিনির্ভর এবং একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ থাকায় সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। কেন্দ্র দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলেও জানান তিনি। সাময়িক এ ভোগান্তির জন্য জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।